সানজিদা হুমায়রা
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৩ ১৪:০৮ পিএম
দরজার সামনে এলোমেলোভাবে জুতা থাকলে দেখতে ভালো লাগে না। তা ছাড়া প্রয়োজনের সময় খুঁজে পেতেও সমস্যা হয়। সেগুলোকে গুছিয়ে রাখলে অন্দরসজ্জা যেমন সুন্দর হবে তেমনি পরার সময় পাওয়া যাবে হাতের নাগালে
শৌখিন হোক বা রোজকার ব্যবহারের জুতা, সঠিক যত্নের অভাবে কমতে থাকে তার উজ্জ্বলতা। অনেক সময় বাড়ির প্রবেশপথের সামনে স্তূপাকৃত হয়ে থাকতে দেখা যায় সেগুলোকে। ভালো শু-র্যাক যেমন জুতার শেল্ফ- লাইফ বাড়িয়ে তোলে, তেমনই ঘরকেও দিতে পারে সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার স্পর্শ।
প্রথমেই শৌখিন, বাইরে পরার, প্রতিদিনের ব্যবহৃত ও ঘরে পরার জুতা আলাদা করুন। বাতিল, ছোট হয়ে যাওয়া জুতাগুলো বিদায় করে দিন। এর পরের কাজ, শু ক্যাবিনেট বাছাই করা।
ডোর বা ক্লোজেট রড : এই ধরনের শু ক্যাবিনেট কম জায়গা সম্পন্ন বাড়ির জন্য আদর্শ। দরজার পেছনের দিকে রড লাগিয়ে নিলেই শু অর্গানাইজার তৈরি হয়ে যাবে।
শু শেল্ফ : শৌখিন জুতার জন্য এই ধরনের শেল্ফ ব্যবহার করতে পারেন। বসার ঘরে, এমনকি বেডরুমেও এই শু অর্গানাইজার তৈরি করতে পারেন। লেদারের জুতার ক্ষেত্রেও এ ধরনের অর্গানাইজার শ্রেষ্ঠ। এতে জুতার স্থায়িত্ব বজায় থাকে ।
ফ্রি স্ট্যান্ডিং র্যাকস : ফ্ল্যাটের কোণে এই ধরনের স্ট্যান্ড ব্যবহার করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রেই ফ্ল্যাট বা বাড়ির এই জায়গা অবহেলিত থাকে। সেখানে এলোমেলো জুতোর মেলা বসে যায়। সে ক্ষেত্রে এ ধরনের র্যাক ব্যবহার করতে পারেন। স্থান সংকুলান হলে বিছানার নীচেও পছন্দের জুতো বা বুট রেখে দিতে পারেন। বাজারে এ রকম প্লাস্টিক বা স্টিলের শু অর্গানাইজার বেশ সহজলভ্য।
এভাবে গুছিয়ে রাখতে পারেন শখের জুতাজোড়া। তাহলে জুতাগুলো যেমন ভালো থাকবে, অন্দরেও লাগবে আভিজাত্যের ছোঁয়া।
দরদাম : নানা ব্র্যান্ডের ভিন্ন ভিন্ন শু র্যাক এখন বাজারে মেলে। যার মূল্য ৪ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।