× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মন খারাপ নাকি বিষণ্ণতা

মনির হোসেন রনি

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৩ ১৭:২৩ পিএম

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৪ ২৩:২৭ পিএম

মন খারাপ নাকি বিষণ্ণতা

মন খারাপ সবারই হয়। মন খারাপের মাত্রা বেড়ে গেলে একে আমরা নিজেদের বিষণ্ণ ভাবি। তবে মন খারাপ আর বিষণ্ণতা এক জিনিস নয়। বিষণ্ণতার কারণে মন খারাপের অনুভূতি হতে পারে। তবে এর সঙ্গে আরও কিছু বিষয় জড়িত থাকে।   

বিষণ্নতা একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এতে আক্রান্ত মানুষ প্রায়ই অবসাদে ভোগেন। অনেক সময় তারা নিজের প্রিয় কাজগুলোর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। অনেকের মধ্যে আত্মহত্যাপ্রবণতা ও মৃত্যুচিন্তা দেখা দেয়। 

বিষণ্ণতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

বিষণ্ণতা ও মন খারাপের পার্থক্য নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন বেদা রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড ওয়েলনেসের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আশি তোমার। তিনি বলেন, ‘বিষণ্ণতা ও মন খারাপ দুটি আলাদা বিষয়। বিষণ্ণতার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে মনোরোগের ওষুধ ও মানসিক থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। মন খারাপ লাগা বিষণ্ণতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে এটি সবসময় বিষণ্ণতায় পরিণত হয় না।’

মন খারাপ থেকে হতে পারে বিষণ্ণতা

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মন খারাপ থেকে বিষণ্ণতা হতে পারে। কোনো প্রিয়জনের মৃত্যু, প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া বা চাকরি হারানো কোনো আনন্দের বিষয় নয়। জীবনে এ ধরনের ঘটনা খুব স্বাভাবিক। এসব ক্ষেত্রে গভীর দুঃখ পাওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে অনেক সময় এই দুঃখ বিষণ্ণতায় রূপ নিতে পারে। সময়ের সঙ্গে অনুভূতি বা মেজাজ ভাল না হলে এবং প্রতিদিনের কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটলে আপনি বিষণ্ণতায় ভুগছেন বলা যেতে পারে। 

বিষণ্ণতার সঙ্গে বোঝাপড়া

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ তোমার বলেন, ‘বিষণ্ণতাকে বুঝতে হলে এর উপসর্গ বোঝা জরুরি। কমপক্ষে দুই সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিন এবং দিনের বেশিরভাগ এসব উপসর্গ অনুভব করা যায়। বিষণ্ণতায় আক্রান্তের মানদণ্ড পূরণের জন্য কমপক্ষে কয়েকটি লক্ষণ বা উপসর্গ মেলানো উচিত।’ 

তিনি বলেন, ‘উপসর্গগুলো সামাজিক পেশাগত ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে বাধা তৈরি করে। এটা মনে রাখতে হবে যে, বিষণ্ণতার লক্ষণ দেখা দিলে সাধারণ চিকিৎসার মতো ব্যবস্থা নেওয়া উচিত নয়।’

বিষণ্ণতার গুরুত্বপূর্ণ দিক  

কারও মন খারাপ থাকলে অন্যান্য কাজগুলোতে আনন্দ পাওয়া সম্ভব। তবে বিষণ্ণতায় ভুগলে আনন্দদায়ক কাজগুলো উপভোগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। মন খারাপের তুলনায় বিষণ্ণতা আমাদের ভালোভাবে জীবনযাপনে গুরুতর সমস্যা তৈরি করে। শুধু মন খারাপ হওয়া মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনে সামান্যই প্রভাব ফেলে।  

কেউ বিষণ্ণতায় ভুগছে কি না বোঝার জন্য অন্তত টানা দুই সপ্তাহ তার মধ্যে উপসর্গগুলো থাকতে হবে।

মন খারাপ হলে এটি ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তবে যদি মন খারাপ কাটানোর সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয় এবং চলতেই থাকে, তাহলে বুঝতে হবে এটি বিষণ্ণতার লক্ষণ। 

বিষণ্ণতা থেকে মুক্তির পথ

বিষণ্ণতার চিকিৎসার কৌশল পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা নির্ধারণ করেন। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিয়ে খুবই ফলপ্রসূ হতে পারে। প্রথমে একজন থেরাপিস্ট খুঁজে বের করতে হবে, যিনি মানসিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়ে অভিজ্ঞ। বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি পেতে পেশাদারদের সহযোগিতা নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা