যাপিত জীবন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:০৯ পিএম
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:৩৬ পিএম
‘দ্য উইংস অব ভাইব্র্যান্স’ শিরোনামের রাজধানীতে শুরু হয়েছে দুদিনব্যাপী ডা. আব্দুস সামাদ আলিম (ইমু)র একক প্রদর্শনী। যেখানে ফ্রেমে ফ্রেমে স্থান পেয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান থেকে ক্যামেরাবন্দি করা অসংখ্য পাখির ছবি। দেশ-বিদেশের গহিন অরণ্যে মাইলের পর মাইল হেঁটে, অনেক প্রতীক্ষার পর তোলা এসব ছবি দেখে প্রথম দিনের দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হয়েছেন।
গত শনিবার ২৪ ডিসেম্বর বেলা ১১টা থেকে এই প্রদর্শনী শুরু হয়। উদ্বোধন করেন নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউয়েন ও ঢাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং-গুন। রাজধানীর গুলশান ২-এর বে’স এজ ওয়াটার এজ গ্যালারিতে এই প্রদর্শনী চলে। এখানে প্রায় ৬৫ প্রজাতির ৮৯টি ছবি প্রদর্শন হয়। দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে এই পাখির ছবি দেখার সুযোগ পায়, সেই সঙ্গে পাখি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারে। ছবিগুলো তিনি বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশসহ থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ এবং ভারতের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান থেকে তুলেছেন।

ডা. আব্দুস সামাদ আলিম ইমু, একজন ক্লিনিক্যাল নিউরোলজিস্ট। পেশায় ব্যবসায়ী হলেও ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফিতে তিনি সুনাম কুড়িয়েছেন। এই প্রদর্শনীতে ৬৫ প্রজাতির ৮৯টি ছবি প্রদর্শিত হয়।
প্রদর্শনী দেখতে আসা পাখি বিশেষজ্ঞ ও আলোকচিত্রী ইনাম আল হক বলেন, ‘দ্য উইংস অব ভাইব্র্যান্স’ প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া ছবিগুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। সব আলোকচিত্রীকে একটি কথা মনে রাখতে হবে ছবি তুলতে গিয়ে যেন পাখিদের স্বাভাবিক যাত্রায় কোনোভাবে বাধা সৃষ্টি না করি। কারণ একটি ভালো ছবি তোলার চাইতে ওই পাখিটার ছানাটা বেঁচে থাকাটা বেশি দরকার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পী হাশেম খান বলেন, আমরা যদি সংস্কৃতিমনা হই, তাহলে দেশ, দেশের জনগণের অনেক উপকারে আসবে। এজন্য সবাইকে শিল্পী হতে হবে, আলোকচিত্রী হতে হবে, বিষয়টি তা নয়। সবার মাঝে শিল্পবোধটা থাকলেই হবে।
অনুষ্ঠানে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও বন্যপ্রাণী বিষয়ক আলোকচিত্রী আনসার উদ্দিন খান পাঠান বলেন, প্রকৃতি বাঁচলেই মানুষ বাঁচবে। প্রকৃতির প্রশংসা করা অর্থই মানুষের প্রশংসা করা। এই প্রকৃতিকে ভালোবাসা মানে মানুষকেই ভালোবাসা। আর এই পাখি হলো প্রকৃতির অন্যতম একটি অনুষঙ্গ। যার সৌন্দর্য অপরিসীম। এই পাখি যখন নানা রকম অঙ্গভঙ্গি করে, নানান ভাবে বসে, এটি মানুষের মধ্যে নির্মল আনন্দ দেয়।