প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:০৮ পিএম
রিয়াদ সিজন ২০২৫ জমে উঠেছে। আর বলতেই হয়, বুলেভার্ড ওয়ার্ল্ড এই আয়োজনে পরিবার-বান্ধব বিনোদনের নতুন রাজধানী। বৈশ্বিক সংস্কৃতি, রোমাঞ্চ আর বিশ্রামের মেলবন্ধনে সাজানো এই বিশাল ভেন্যুটি পরিবার, শিশু ও প্রবীণ সবাইকেই দেয় আরামদায়ক, উৎসবমুখর অভিজ্ঞতা।
রিয়াদ সিজন ২০২৫ শুরু হতেই বুলেভার্ড ওয়ার্ল্ড আবারও হয়ে উঠেছে সবচেয়ে জনপ্রিয় পারিবারিক গন্তব্যগুলোর একটি। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের অনুপ্রেরণায় তৈরি থিমড জোনগুলোয় এখানে একদিকে যেমন মিলেমিশে গেছে সংস্কৃতি, বিনোদন আর অবকাশের বৈচিত্র্য, তেমনি প্রতিটি ব্যবস্থায় রয়েছে আরাম, সহজপ্রাপ্যতা ও পরিবার-বান্ধব অভিজ্ঞতার প্রতি বিশেষ মনোযোগ।

ভিজিটরদের জন্য রয়েছে ভেতরজুড়ে আরামদায়ক পরিবহন সুবিধা, পর্যাপ্ত বসার জায়গা, পরিচ্ছন্ন ও পরিবার-উপযোগী সুবিধা। নামাজের জন্য নির্দিষ্ট স্পেস, শিশু–বয়স্ক–সিনিয়র সবাইকে মানানসই রেস্টুরেন্টের বৈচিত্র্য—সব মিলিয়ে জায়গাটি তৈরি হয়েছে সকল বয়সের মানুষের আরামদায়ক সময় কাটানোর জন্য। সুপরিকল্পিত লেআউটের কারণে সহজেই ঘুরে দেখা যায় এক জোন থেকে আরেক জোন।
সবার জন্য বিনোদন ও কার্যক্রম
বুলেভার্ড ওয়ার্ল্ডের প্রতিটি জোনের পরিবেশ আলাদা—অনন্য ডেকর, নির্দিষ্ট অঞ্চলের খাবারের স্বাদ, সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা ও ছবি তোলার মতো বহু আকর্ষণ।
পরিবারদের জন্য চোখে পড়ার মতো কিছু জোনের মধ্যে কোকোমেলন ওয়ার্ল্ড রয়েছে শীর্ষে—টডলারদের জন্য রঙিন চরিত্র-ভিত্তিক প্লে এরিয়া, ইন্টারঅ্যাক্টিভ মিউজিক অ্যাক্টিভিটি ও নিরাপদ সফট-প্লে স্পেস, যা ছোটদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যস্ত রাখে। অন্যদিকে কিশোর–কিশোরী বা বড় শিশুদের নিয়ে আসা পরিবারগুলোর জন্য সুপার ফ্লাই এক্সপেরিয়েন্স এক অনন্য রোমাঞ্চ—নিরাপদ পরিবেশে উড়ার অভিজ্ঞতা, যা ভিজিটরদের জন্য হয়ে ওঠে ট্রিপের হাইলাইট।
এই জোনভিত্তিক আগ্রহগুলো ভিজিটরদের আগে থেকেই ধারণা দিতে সাহায্য করে যে ভিতরে কী কী অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে—ফলস্বরূপ পরিবারগুলো সহজে পরিকল্পনা সাজাতে পারে।
ভেন্যু জুড়ে ছড়িয়ে থাকা নানা কার্যক্রমে ভিজিটররা চাইলে ধীরেসুস্থে ঘুরতে ঘুরতে সময় কাটাতে পারেন, আবার কেউ চাইলে নিতে পারেন আরও উদ্দীপনাময় এন্টারটেইনমেন্টের অভিজ্ঞতা—সবকিছুই সাজানো হয়েছে বিভিন্ন বয়সি পরিবারের সুবিধা মাথায় রেখে।
২০২৫ সালে নতুন কী
নতুন সিজনের জন্য বুলেভার্ড ওয়ার্ল্ডে যোগ করা হয়েছে একাধিক উন্নয়ন, যাতে প্রত্যেক ভিজিটেই থাকে নতুন কিছু আবিষ্কারের আনন্দ। সাংস্কৃতিক জোনগুলোয় এসেছে নতুন ডেকর, ইন্টারঅ্যাক্টিভ এলিমেন্ট ও ফটো-ফ্রেন্ডলি ইনস্টলেশন, যা আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে প্রতিটি স্পেস।

পরিবার-বান্ধব রাইড জোনগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে আরও উন্নত সেফটি সিস্টেম আর মসৃণ পথ—যার ফলে ভিড়ের মধ্যেও প্রবীণ বা শিশুদের সঙ্গে চলাফেরা করা সহজ হয়েছে। নতুন বছরের এন্টারটেইনমেন্ট লাইনআপেও আছে চমক—নতুন লাইভ শো, থিমড প্যারেড ও মৌসুমি পরিবেশনা যা ছোটদের আনন্দ দিতে বিশেষভাবে সাজানো।
খাবারের পছন্দেও এসেছে বাড়তি বৈচিত্র্য—বিশ্বের নানা প্রান্তের খাবারের পাশাপাশি বেড়েছে এশিয়ান–ফ্রেন্ডলি অপশন, যা দক্ষিণ এশীয় বিশেষত বাংলাদেশি ভিজিটরদের জন্য বেশ পরিচিত ও আরামদায়ক স্বাদ এনে দেয়।
সব মিলিয়ে ২০২৫ সংস্করণটি আরও গতিশীল, বর্ণময় ও ভিজিটর-ফোকাসড অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।
-69283f45209b3.jpg)
বাংলাদেশি ভিজিটরদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা
বুলেভার্ড ওয়ার্ল্ডে দক্ষিণ এশিয়ার ভিজিটরদের সংখ্যাই বেশি—এর বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, রঙিন সাজসজ্জা, সংগীত, লাইট ও উৎসবমুখর অনুভূতি বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের কাছে খুবই পরিচিত ও আপন মনে হয়।
এন্টারটেইনমেন্টের আয়োজনগুলো শিশু–কিশোর–প্রাপ্তবয়স্ক—সবাইকে আনন্দ দেয়, যা পরিবারগুলোর জন্য এটিকে বিশেষভাবে উপযোগী করে। পাশাপাশি এশিয়ান পছন্দের খাবারের বৈচিত্র্য ভিজিটরদের দেয় পরিচিত স্বাদের আরাম, আবার সঙ্গে যোগ করে নতুনত্বের অভিজ্ঞতা।
নতুন সিজনের আপডেটগুলোর ফলে বুলেভার্ড ওয়ার্ল্ড এখন আরও আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য—সৌদি আরবে বসবাসকারী বাংলাদেশি পরিবার বা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ভ্রমণকারীদের জন্য যেন রঙিন এক গ্লোবাল উৎসব।
আরও জানতে ভিজিট করতে পারেন: https://riyadhseason.com/en/zones/boulevard-world-rs25