প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৫ ১৬:৪৩ পিএম
মসলিন ও জামদানির জন্য আগে থেকেই খ্যাতি আছে এই দেশের। এছাড়া বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সুনাম সারা বিশ্বে। সেই সুনাম, ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মিশেলে দেশে যাত্রা শুরু করেছে তারুণ্যের ফ্যাশন ব্রান্ড ‘নীলিমা’।
২০২০ সালের শেষ দিকে যাত্রা শুরু করে এরইমধ্যে সারাদেশে সাড়া ফেলেছে নীলিমা। কী পাওয়া যায় না নীলিমায়? এক কথায় বলা যায়, নীলিমায় রয়েছে তরুণীদের প্রথম পছন্দের থ্রি পিস, আছে শাড়ি এবং আনুষাঙ্গিক নানা পণ্য।
নীলিমায় প্রতিটি পোশাকে আছে যত্নের ছোঁয়া। কারণ এর প্রতিটি ডিজাইনের পেছনে ডিজাইনার ছাড়াও আছে একদল দক্ষ কর্মীবাহিনী। যাদের হাতের স্পর্শে তৈরি হয় প্রতিটি পোশাক। বলা যায়, নীলিমায় এমন কারিগর আছেন যারা তাদের শিল্পে দক্ষ। তাদের হাতেই তৈরি পোশাক, জুতা, আনুষাঙ্গিক ইত্যাদি পণ্য তৈরি করেন।
শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি কখনো পণ্যের মান ও ক্রেতার আরামের সঙ্গে আপস করেনি। এর বড় কারণ নীলিমার প্রতিটি পোশাকে কাঁচামাল থেকে শুরু করে সুতো, বুনন সবই হয় নিপুণ হাতে। দেশীয় এই ব্রান্ডের প্রতিটি পণ্য দেশের মানুষের কাছে তো বটেই পৌছে যায় দেশের বাইরেও।

যেভাবে শুরু
নীলিমা’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক তালহা জুবায়ের লোকমান জানান, প্রতিষ্ঠানটির শুরু হয়েছিল ছোট করেই। তবে লক্ষ্য ছিলো বিশাল। কারণ প্রতিষ্ঠানটির শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিলো, বিশ্ব সেরা মানের প্রিমিয়াম কাপড় তৈরি এবং খুচরা বিক্রয় করা। এই লক্ষ্য নিয়েই ২০২০ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় তিনি যাত্রা শুরু করেছিলেন নীলিমার। তারপর আস্তে আস্তে নীলিমা ছড়িয়েছে সারা দেশে। এখন পাইকারী বিক্রেতাদের মাধ্যমে সারাদেশের সব প্রান্তে পৌঁছে গেছে নীলিমার প্রতিটি পোশাক।
নানা উৎসব আর পার্বনে নতুন ডিজাইন নিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটি। বিষয়টি নিয়ে তালহা জুবায়ের লোকমান বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই তারুণ্যের পছন্দকে প্রায়োরিটি দিয়েছি। এখনও তাই। তাই যে কোনো উৎসবে সবার পছন্দের শীর্ষে থাকে নীলিমা। দেশের নানা প্রান্তের তো বটেই অনলাইনে কেনাকাটা করা যায় নীলিমার পোশাক।
নীলিমার ফেসবুক পেজ- www.facebook.com/nilimalifestyle এবং ওয়েব সাইট www.nilima.com.bd