কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৪ ১৫:৪০ পিএম
আপডেট : ১২ মে ২০২৪ ১৬:০৬ পিএম
রায় শেষে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কফিল উদ্দিনকে কারাগারে নেওয়া হয়। প্রবা ফটো
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় যুবলীগের সভাপতি জামাল হোসেনকে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১২ মে) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
নিহত জামাল হোসেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ইসমাইল হোসেন বাচ্চু, সালাউদ্দিন, আবদুর রহমান, মফিজুর রহমান খন্দকার, গিয়াস উদ্দিন শিমুল, জাহিদ বিন শুভ, রেজাউল করিম বাবুল ও মোহাম্মদ আমির হোসেন।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নুরুল আকন্দ, কফিল উদ্দিন, নুরুন্নবী সুজন, ইকবাল আহমদ, সাইফুল ইসলাম, মাহমুদুর রহমান খন্দকার, মোশারফ হোসেন, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী হোসেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল হক সেলিম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথির বরাতে তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি জামাল হোসেনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত যুবলীগ নেতার বোন বাদী হয়ে ইসমাইল হোসেন বাচ্চুকে প্রধান আসামি করে ২৮ জনের নামে হত্যা মামলা করেন।
আইনজীবী বলেন, পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ মামলায় ৪৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত কফিল উদ্দিন ছাড়া বাকিরা সবাই পলাতক রয়েছেন।
নিহতের বড় বোন জোহরা আক্তার ও ছাবেরা আক্তার বলেন, ‘আমরা এ রায়ে খুশি। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত রায় কার্যকরের আবেদন জানাচ্ছি।’