প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২২ ১২:২৪ পিএম
আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২২ ১৪:২৭ পিএম
ছবি: ইন্দ্রজিৎ ঘোষ
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদারের করা মামলায় পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় মিথ্যা ও অসত্য তথ্য সরবরাহ এবং তা প্রচারের অভিযোগে দুটি মামলা করা হয়।
আসামি বাবুল আক্তারের উপস্থিতিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশেক ইমাম আজ (১০ নভেম্বর) এ আদেশ দেন।
এ সময় তার রিমান্ড শুনানির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আদালত ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) রবিউল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনসহ সাত দিনের রিমান্ডে নিতে বুধবার আবেদন করা হয়েছিল।
২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় পিবিআই-প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাদী হয়ে বাবুল আক্তার, সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযোগ আনা হয়।
এর আগে ৩০ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেন।
২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হওয়ার পর চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মিতুকে।
ঘটনার পর তখনকার এসপি বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
তবে বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ও শাশুড়ি সাহেদা মোশাররফ এ হত্যার জন্য বাবুলকে দায়ী করছিলেন।
শুরু থেকে চট্টগ্রাম পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালত তদন্তের ভার পিবিআইকে দেন।