প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২২ ২০:১২ পিএম
আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২২ ১১:৩৫ এএম
ফাইল ফটো
সাবেক রাষ্ট্রপতি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সামরিক আদালতের দেওয়া সাজা কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) এ রুল জারি করেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সামরিক আদালতে দণ্ডপ্রাপ্তদের কেন দেশপ্রেমিক হিসেবে ঘোষণা করা হবে না এবং দণ্ডপ্রাপ্তদের পরিবারকে কেন পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রুলে দণ্ডিতদের সন্তানদের যোগ্যতা অনুয়ায়ী কেন সরকারি চাকরি দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
প্রতিরক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিমান বাহিনীর প্রধানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বিমান বাহিনীর এক বিদ্রোহের ঘটনায় সামরিক আদালতে দণ্ডের ক্ষতিপূরণ চেয়ে ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মতিউর রহমান।
আবেদনে ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর সামরিক আদালতে দণ্ডিতদের চাকরির স্বাভাবিক অবসর গ্রহণ পর্যন্ত বেতন, অন্য সব সুবিধা, পেনশন পাওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। ওই সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট সাইদুর রহমানের ছেলে মো. কামরুজ্জামান মিঞা লেলিনসহ বিমান বাহিনীর ১৪ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত সেনা ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের সন্তানসহ ৮৮ জনের পক্ষে এ রিট আবেদন করা হয়। আবেদন বলা হয়—১৯৭৬ সালে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতা দখল করেন জিয়া। পরের বছর দখল করেন রাষ্ট্রপতির পদও। জিয়া ক্ষমতা দখলের পর সামরিক বাহিনীতে অনেক বিদ্রোহ-অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়। এ ঘটনায় সামরিক আদালত বিচার করেন। তাতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অধিকাংশেরই সাজা কার্যকরের পর মৃতদেহের হদিস মেলেনি।
প্রবা/টিকে/জেও