নাশকতার মামলা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৩ ১৯:৩৮ পিএম
আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৩ ১৯:৫৫ পিএম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার। সংগৃহীত ফটো
নাশকতার
অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল থানায় ২০১২ সালে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির
ডা. শফিকুর রহমান ও সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলটির ৯৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ
গঠন করেছেন আদালত।
বুধবার
(২৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতির
আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর মাধ্যমে এ মামলায় তাদের বিচার শুরু হলো।
সংশ্লিষ্ট
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি হেমায়েত উদ্দিন খান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য
নিশ্চিত করেছেন।
এদিন
আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন ও আব্দুর রাজ্জাক শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষের
আইনজীবী হিসেবে এপিপি হেমায়েত উদ্দিন খান শুনানি করেন।
শুনানিতে
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, একই দিনের ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয়।
আসামি গোলাম পরওয়ারের বিরুদ্ধে একই দিনে খুলনায় দায়ের করা এক মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে
বিচার চলমান রয়েছে। তারা এ সময় আসামিদের অভিযোগ গঠনের বিরোধিতা করেন।
শুনানির
একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, এ মামলা প্রমাণে পর্যাপ্ত ভিডিও ও অডিও ফুটেজ
রয়েছে। তখন আসামিপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, ‘যদি এ মামলার আসামি ডা. শফিকুর
রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এমন কোনো ভিডিও ফুটেজ কেউ দেখাতে পারেন, তাহলে তাকে
এক কোটি টাকা পুরস্কার দেব এবং আইন পেশা ছেড়ে দেব। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে আসামিদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।’
অপরদিকে
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন শুনানিতে বলেন, ‘আসামিরা দেশে অস্থিরতা
সৃষ্টি করার জন্য মতিঝিলের টয়নবি সার্কুলার রোডে অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুর করেন। তদন্ত
কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।’
মামলা
সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর জামায়াত-শিবিরের ২০০-৩০০ নেতাকর্মী বেআইনিভাবে
জড়ো হয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি ও আটক শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে অগ্নিসংযোগ,
ভাঙচুর করেন। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে এ ধরনের কাজ করে তারা। দুটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগসহ
ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেন। এ ঘটনায় মিজানুর রহমান সুমন বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।