× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সোয়া ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

পিকে হালদারের সহযোগী স্বপনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৩ ০০:০৮ এএম

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৩ ১১:০৩ এএম

পিকে হালদার। ফাইল ফটো

পিকে হালদার। ফাইল ফটো

সোয়া কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ভারতের কারাগারে বন্দি প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) সহযোগী স্বপন কুমার মিস্ত্রির বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বুধবার (১৪ জুন) কমিশন চার্জশিট অনুমোদন করে।

গত বছর ১০ মে কমিশনের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করেন দুদকের উপপরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন।

দুদকের একাধিক সূত্র বলছেন, পিকে হালদারের সহযোগীদের অনেকেই বিদেশে পলাতক। গত বছরের ১৫ মে ভারতের চব্বিশ পরগনায় দেশটির তদন্তকারী সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে পিকে হালদারের সঙ্গে যে পাঁচ সহযোগী গ্রেপ্তার হন তার মধ্যে স্বপন রয়েছেন।

মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, রহমান কেমিকেল লিমিটেডের পরিচালক আসামি স্বপন কোটি ১৯ লাখ ২২ হাজার ৭৫০ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। দুদক সম্পদ বিবরণী চাইলেও স্বপন দেননি।

অভিযোগপত্রে - বলা হয়, স্বপন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ পূর্ব সাবরেজিস্ট্রি অফিসে সম্পাদিত কবলা দলিল নম্বর ৩২৪৪; ২০১৭ সালের ২১ মার্চ ২০০ দশমিক ৫৩ শতাংশ জমি কোটি ৬৮ লাখ ২৫ হাজার টাকায় কিনে স্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন করেন। ছাড়া তিনি আরও ৫০ লাখ ৯৭ হাজার ৭৫০ টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন।

দুদকসূত্রে জানা যায়, সংস্থাটি স্বপনের আয়কর বিবরণী পর্যালোচনা করে সেখানে একাধিক খাত থেকে দেখানো আয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসা বা পেশা সংক্রান্ত কোনো দালিলিক রেকর্ডপত্র পায়নি। ফলে আয়ের গ্রহণযোগ্য উৎস তদন্তকালে পাওয়া যায়নি। ছাড়া ২০১৪-১৫ কর বছর থেকে ২০১৯-২০ কর বছর পর্যন্ত মোট ৩৭ লাখ ৬০ হাজার ৬৬৩ টাকার পারিবারিক অন্যান্য ব্যয় প্রদর্শন করেছেন। গ্রহণযোগ্য আয় না থাকায় তার সঞ্চয় পাওয়া যায়নি। ক্ষেত্রে সম্পদ অর্জনের বিপরীতে তার বৈধ গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায়নি।

অবৈধ সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর ২৭() ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন স্বপন। ছাড়া তিনি নির্ধারিত সময়ে সম্পত্তির ঘোষণাপূর্বক নির্দিষ্ট সম্পদ বিবরণী ফরম কমিশনে দাখিল না করায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর ২৬() ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনসহ উক্ত অবৈধ সম্পদ নিজ ভোগদখলে রাখার অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১০ মে স্বপন কুমার মিস্ত্রি তার স্ত্রী পূর্ণিমা রাণী হালদারের বিরুদ্ধে সাড়ে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে দুদক। স্বপন কুমার মিস্ত্রির বিরুদ্ধে কোটি ১১ লাখ ২২ হাজার ৫২২ এবং পূর্ণিমা রাণী হালদারের বিরুদ্ধে কোটি ৩৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দুটি করা হয়।সোয়া কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ভারতের কারাগারে বন্দি প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) সহযোগী স্বপন কুমার মিস্ত্রির বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বুধবার (১৪ জুন) কমিশন চার্জশিট অনুমোদন করে।

গত বছর ১০ মে কমিশনের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করেন দুদকের উপপরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন।

দুদকের একাধিক সূত্র বলছেন, পিকে হালদারের সহযোগীদের অনেকেই বিদেশে পলাতক। গত বছরের ১৫ মে ভারতের চব্বিশ পরগনায় দেশটির তদন্তকারী সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে পিকে হালদারের সঙ্গে যে পাঁচ সহযোগী গ্রেপ্তার হন তার মধ্যে স্বপন রয়েছেন।

মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, রহমান কেমিকেল লিমিটেডের পরিচালক আসামি স্বপন কোটি ১৯ লাখ ২২ হাজার ৭৫০ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। দুদক সম্পদ বিবরণী চাইলেও স্বপন দেননি।

অভিযোগপত্রে - বলা হয়, স্বপন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ পূর্ব সাবরেজিস্ট্রি অফিসে সম্পাদিত কবলা দলিল নম্বর ৩২৪৪; ২০১৭ সালের ২১ মার্চ ২০০ দশমিক ৫৩ শতাংশ জমি কোটি ৬৮ লাখ ২৫ হাজার টাকায় কিনে স্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন করেন। ছাড়া তিনি আরও ৫০ লাখ ৯৭ হাজার ৭৫০ টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন।

দুদকসূত্রে জানা যায়, সংস্থাটি স্বপনের আয়কর বিবরণী পর্যালোচনা করে সেখানে একাধিক খাত থেকে দেখানো আয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসা বা পেশা সংক্রান্ত কোনো দালিলিক রেকর্ডপত্র পায়নি। ফলে আয়ের গ্রহণযোগ্য উৎস তদন্তকালে পাওয়া যায়নি। ছাড়া ২০১৪-১৫ কর বছর থেকে ২০১৯-২০ কর বছর পর্যন্ত মোট ৩৭ লাখ ৬০ হাজার ৬৬৩ টাকার পারিবারিক অন্যান্য ব্যয় প্রদর্শন করেছেন। গ্রহণযোগ্য আয় না থাকায় তার সঞ্চয় পাওয়া যায়নি। ক্ষেত্রে সম্পদ অর্জনের বিপরীতে তার বৈধ গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায়নি।

অবৈধ সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর ২৭() ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন স্বপন। ছাড়া তিনি নির্ধারিত সময়ে সম্পত্তির ঘোষণাপূর্বক নির্দিষ্ট সম্পদ বিবরণী ফরম কমিশনে দাখিল না করায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর ২৬() ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনসহ উক্ত অবৈধ সম্পদ নিজ ভোগদখলে রাখার অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১০ মে স্বপন কুমার মিস্ত্রি তার স্ত্রী পূর্ণিমা রাণী হালদারের বিরুদ্ধে সাড়ে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে দুদক। স্বপন কুমার মিস্ত্রির বিরুদ্ধে কোটি ১১ লাখ ২২ হাজার ৫২২ এবং পূর্ণিমা রাণী হালদারের বিরুদ্ধে কোটি ৩৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দুটি করা হয়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা