প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৩ ১৮:৫০ পিএম
আপডেট : ০৫ জুন ২০২৩ ২২:০২ পিএম
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা কর ফাঁকির মামলার শুনানি গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৫ জুন) বিচারপতি ইকবাল কবির ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ অপারগতা প্রকাশ করেন।
অপারগতা প্রকাশের বিষয়ে এ হাইকোর্ট বেঞ্চ জানান, কনিষ্ঠ একজন বিচারপতি নিয়োগ পাওয়ার আগে আইনজীবী হিসেবে এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেছিলেন, কাজেই তারা এটি শুনতে পারবেন না।
পরে মামলাটির নথি প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর কাছে পাঠানো হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তিনি শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চ ঠিক করে দেবেন। ওই বেঞ্চে এ মামলার শুনানি হবে।
সোমবার শুনানিতে ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও সরদার জিন্নাত আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।
অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৭ মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষে হাইকোর্টকে জানানো হয়, ড. ইউনূস ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়েছেন। পাঁচ বছরে (২০১২-১৭) এই কর ফাঁকি দেওয়া হয়।
এর আগে ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার আয়কর রিটার্নের মামলা চালুর জন্য হাইকোর্টে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, সরকারের পাওনা অর্থগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ কল্যাণে ৫৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮২৩ টাকা, গ্রামীণ কল্যাণের অন্য একটিতে ৩৫৪ কোটি ৭৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫৪৭ টাকা এবং গ্রামীণ টেলিকমের একটিতে ২১৫ কোটি টাকা।
এরই মধ্যে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ও তার প্রতিষ্ঠিত ৯টি প্রতিষ্ঠানের করসংক্রান্ত তথ্য চেয়ে এনবিআরের কাছে চিঠিও দিয়েছে দুদক। পরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনবিআরের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সংশ্লিষ্ট সার্কেল এবং জরিপ দপ্তরকে মৌখিক নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
৯ মে একই মামলা হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চের কার্যতালিকায় (কজলিস্ট) থেকে বাদ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সেটি শুনানির জন্য ওঠে।