হিরা তালুকদার
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৩ ১০:৩২ এএম
আপডেট : ০৯ মে ২০২৩ ১১:১২ এএম
ফাইল ফটো
‘স্যার, আমি জাহালম। আমি আবু সালেক না, আমি নির্দোষ।’ কয়েক বছর আগের তুমুল আলোচিত এই আকুতির কথা হয়তো এখনও মনে আছে অনেকের। ‘ভুল আসামি’ হয়ে দুদকের ২৬ মামলায় তিন বছর কারাগারে ছিলেন পাটশ্রমিক জাহালম।
আবু সালেক নামের একজনের বদলে কারাভোগ করতে হয় তাকে। পরে মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে বেরিয়ে আসে যে জাহালম নির্দোষ। ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের আদেশে মুক্তি পান তিনি।
সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা জালিয়াতির ২৬টি মামলা ছিল আবু সালেকের বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘আবু সালেক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে জাহালমকে গ্রেপ্তার করে দুদক। ২০১৮ সালে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের শরণাপন্ন হন জাহালমের বড় ভাই শাহানূর মিয়া। তার আবেদনের ভিত্তিতে কমিশনের তদন্তে বেরিয়ে আসে, আবু সালেক আর জাহালম এক ব্যক্তি নন।
এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সেটি হাইকোর্টের নজরে আনেন একজন আইনজীবী। পরে জাহালমকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে মুক্তির নির্দেশ দেন আদালত। ক্ষতিপূরণ পান ৫ লাখ টাকা। কিন্তু তিনটি বছর কারাপ্রকোষ্ঠে যে দুঃসহ যন্ত্রণা ভোগ করেছেন তিনি, যে পরিমাণ হয়রানির শিকার হতে হয়েছে তার স্বজনদের; সেটির ক্ষতিপূরণ কি আদৌ সম্ভব?
বিনা অপরাধে ১৬ বছর জেল খেটেছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ইসমাইল হোসেন ওরফে বাবু এবং মো. সোনারদি ওরফে সোনারুদ্দি। এই ১৬ বছরের মধ্যে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে ১৪ বছর কাটিয়েছেন কনডেম সেলে। এক ব্যক্তির সঙ্গে ঝগড়ার জেরে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাদের। সে মামলায় মৃত্যুদণ্ড নিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কারাপ্রকোষ্ঠে মৃত্যুর প্রহর গুনতে হয়েছে তাদের। অবশেষে ২০২২ সালে সর্বোচ্চ আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি পেয়েছেন তারা।
বিনা দোষে তিন মাস কারাগারে ছিলেন যশোরের সবুজ বিশ্বাস। খুনের মামলায় অপরাধী সাজিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিল পুলিশ। ২০১৯ সালের ওই ঘটনায় পরে ভুল স্বীকার করে আদালতে লিখিত পত্র দেন যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান। শুধু জাহালম, ইসমাইল, সোনারুদ্দি কিংবা সবুজ বিশ্বাসই নন, বিনা দোষে কারাবাসের এমন বহু নজির রয়েছে।
নরসিংদীর পলাশে কৃষক সামসুল হক হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির সবাই ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে খালাস পেয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রায় দেন।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন পলাশ উপজেলার গালিমপুর এলাকার আব্দুল গাফফার (পলাতক), মো. তোতা মিয়া, মো. আলেক মিয়া, তার স্ত্রী মোছাম্মৎ রূপবান, তাদের দুই ছেলে শরীফ মিয়া, আরিফ মিয়া ও মারফত আলী (পলাতক)। তারা প্রায় সাত বছর কনডেম সেলে ছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিলের কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। তবে শেষ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণিত না হলে কনডেম সেলে তাদের কাটানো সাতটি বছর কে ফিরিয়ে দেবে?
গাজীপুরের কাপাসিয়ার সানাউল্লাহ সরকার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিকে ২০২২ সালের ২৯ মার্চ খালাস দেন হাইকোর্ট। এ মামলায় বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া দুই আসামিকেও খালাস দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম, সেলিম শেখ, নয়ন শেখ ও আনোয়ার হোসেন শেখ। যাবজ্জীবন দণ্ড থেকে খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- আবদুল মোতালেব ও শামসুদ্দিন।
এমন বহু মামলায় বিচারিক আদালতে ফাঁসি কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয় আসামিদের। তবে এসব দণ্ড অনেক ক্ষেত্রেই আর টেকে না হাইকোর্ট কিংবা আপিল বিভাগে। তাহলে কী বিচারিক আদালতের রায়ে ভুল থাকে নাকি রাষ্ট্রপক্ষের দুর্বলতা থাকে সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে? একজন ব্যক্তি যদি খালাসই পান তাহলে কনডেম সেলের মতো বিশেষায়িত যন্ত্রণাদায়ক সেলে কেন তাকে বছরের পর বছর পার করতে হবে? এর ক্ষতিপূরণ কে দেবে? সমাধানই বা কী?
ক্ষতিপূরণের দাবি
বিলম্বিত ও বিনা বিচারে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকা আসামিদের মুক্তির পর ক্ষতিপূরণ দিতে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের যুক্তি তুলে ধরেছিলেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমও (বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতি)। ২০১৭ সালের ১৮ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেলেও তারা অর্থের অভাবে কিছু করতে পারে না। তাই তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রয়োজন। ২০১৭ সালের ৮ মার্চ সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা বিনা অপরাধে কারাগারে আটক রয়েছেন তারা সংশ্লিষ্ট আটককারী কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারেন।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) প্রেসিডেন্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, বিনা অপরাধে কারাবাস অবশ্যই মানবাধিকারের লঙ্ঘন। একজন মানুষেরও যদি বিনা দোষে সাজা হয় তাহলে তার অবশ্যই ক্ষতিপূরণ চাওয়ার অধিকার থাকা উচিত। এর জন্য এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। এক্ষেত্রে আমাদের বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিতে আইন হওয়া উচিত। কারণ একজন আসামি সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে খালাস পেলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্ন আসে না। তবে যে তদন্ত কর্মকর্তা উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়া চার্জশিট দিয়েছেন তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে। যাতে সুষ্ঠু তদন্ত না করে কেউ চার্জশিট দেওয়ার সাহস না পায়।
তিনি বলেন, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল না থাকলে ভুক্তভোগীকে বের করা হয় কনডেম সেল থেকে। এতে প্রশ্ন আসতে পারে, ওই আসামি কী বিনা দোষে এত দিন কনডেম সেলে ছিলেন? বিষয়টি আসলে সব ক্ষেত্রে এক নয়। কিছু ক্ষেত্রে বিচারিক আদালতের দুর্বলতা অবশ্যই থাকে। আবার অনেক ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট যেহেতু শেষ বিচারালয়, তাই মৃত্যুদণ্ডের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রে তারা ছাড় দেন। কিছু মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের দুর্বল উপস্থাপনা এবং কিছু আইনি বিষয়ের কারণেও ফাঁসির আসামি খালাস পেয়ে যাচ্ছেন।
আইন কী বলে?
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনা দোষে কারাবাসের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের কোনো বিধান নেই। তবে অবিলম্বে ক্ষতিপূরণের আইন করা উচিত। অবশ্য মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে বাদীর কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন মামলা চালানোর মতো জটিল আইনি প্রক্রিয়ার কারণে এ ব্যাপারে সেভাবে মানুষের আগ্রহ দেখা যায় না।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘নিম্ন আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও তার অধিকাংশই হাইকোর্টে বহাল থাকে না। এই দুই রায়ের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয় বছরের ব্যবধান থাকে। এ সময় আসামিকে কারাগারের কনডেম সেল বা সাধারণ সেলে থাকতে হয়। সুপ্রিম কোর্টে যদি ওই ব্যক্তি নির্দোষ প্রমাণিত হন তাহলে তার জীবন থেকে যে সময়টুকু চলে গেছে, সেটি কে ফিরিয়ে দেবে? কনডেম সেলের মতো একটি ভয়াবহ স্থানে সুপ্রিম কোর্টে খালাস পাওয়া একজন ব্যক্তিকে এতগুলো বছর কাটাতে হচ্ছে। এটা খুবই অন্যায়। তবে আমাদের আইনে এটা গ্রহণযোগ্য। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আসামিকে কনডেম সেলে নিয়ে যাওয়া হয়।’
বিনা দোষে কারাবাসের ক্ষতিপূরণ কি রাষ্ট্র দেবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের ক্ষতিপূরণের কথা আমাদের পেনাল কোডে নেই। এটা আসলে ভাগ্য বলে ধরে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বিচারিক আদালতের রায় হাইকোর্টে অবিকল থাকবে এমন নয়। একেক আদালত ভিন্ন ভিন্নভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করেন। কারও অন্যায় থাকলেও সে যদি দীর্ঘদিন জেল খাটে তাকে হয়তো আপিল বিভাগ খালাস দিয়ে দেন। এটা মামলার ধরনের ওপর নির্ভর করে। হাইকোর্ট বা আপিল বিভাগে কেউ খালাস পেলেই সেটাকে বিনা দোষে কারাভোগ বলা যাবে না।
মৃত্যুদণ্ডের মামলায় ছাড় দেন আপিল বিভাগ
মানবাধিকার নেত্রী অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, বিচারিক আদালতে ফাঁসির দণ্ড, কনডেম সেলে দুর্বিষহ জীবন এবং পরে ফাঁসি কার্যকর না হয়ে সেই মামলায় খালাস! এই বিষয়গুলো অবশ্যই পরস্পরবিরোধী। এজন্য অনেক ক্ষেত্রেই বিচারিক আদালতের রায়ের দুর্বলতা দায়ী। তাই যেখানে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে রায় হয় সেই নিম্ন আদালতের বিচারককে ফাঁসির রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। যাতে কাউকে অকারণে কনডেম সেলে থাকতে না হয়। তবে মৃত্যুদণ্ডের মামলায় আপিল বিভাগ দেখেন কীভাবে আসামির মত্যুদণ্ড না দিয়ে পারা যায়। কারণ কাউকে মেরে ফেলা আদালতের অভিপ্রায় নয়। তাই অধিকাংশ মামলায় ফাঁসির আসামি সর্বোচ্চ আদালতে খালাস পান অথবা তার সাজা কমানো হয়। তবে যেসব মামলায় আসামির অপরাধ সীমার বাইরে চলে যায়, সেক্ষেত্রে ফাঁসির দণ্ড বহাল থাকে।
তিনি বলেন, সঠিকভাবে আইন অনুযায়ী সবকিছু করা হলে কেউ হয়রানির শিকার হয় না। তবে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত। কারণ রাষ্ট্রের দায়িত্ব ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
কনডেম সেলে দীর্ঘদিন থাকার পর খালাস পেলে আসামি কি ক্ষতিপূরণ চাইতে পারেন? এমন প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার নেত্রী তৌফিকা করিম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ যে কেউ চাইতে পারেন। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে তেমনটা বিরল। সবাই জানে, সুপ্রিম কোর্ট বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছাড় দেন। তাই কনডেম সেল থেকে বের হওয়াই আসামিদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। ক্ষতিপূরণের চিন্তা আর তারা করেন না।
ফাঁসির দণ্ড বহাল না থাকাটা কি নিম্ন আদালতের বিচারিক দুর্বলতা? নাকি হাইকোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের দুর্বলতা? এমন প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিচারিক আদালত কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে কনডেম সেলে নেওয়া হয়। পরে তিনি সুপ্রিম কোর্টে খালাস পেলে কারামুক্ত হবেন। বিষয়টা এমন নয় যে কেউ এখানে ভুল জাজমেন্ট দিয়েছে। দেখা গেল, বিচারিক আদালতের রায় ঠিক আছে। হাইকোর্টে রাষ্ট্রপক্ষ ঠিকভাবেই শুনানি করেছে। তারপরও আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকেনি। এর কারণ হতে পারে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের বিশেষ ছাড়। এটা খুবই স্বাভাবিক। হাইকোর্ট বা আপিল বিভাগ যতটা পারেন ফাঁসির আসামিকে বাঁচাতে চান। খুব বেশি অন্যায় হলে সেটা ভিন্ন। তাই কেউ খালাস পাওয়া মানেই রাষ্ট্রপক্ষের দুর্বল শুনানি বলা ঠিক নয়। অনেক সময় বয়স বিবেচনায়ও সুপ্রিম কোর্ট ছাড় দেন।’