লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ০০:৪৯ এএম
আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ১১:১৫ এএম
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। প্রবা ফটো
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল আমিনসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসায়ী মো. সেলিম বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি অঞ্চল চন্দ্রগঞ্জ আদালতে এ মামলা করেন। ১০ দিনের মধ্যে ২ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে সেলিমকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাদীর আইনজীবী ইফতেখার ফয়সাল মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মামলাটি আদালতের বিচারক আনোয়ার হোসেন আমলে নিয়েছেন। ঘটনা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক
অভিযুক্ত অন্যরা হলেন শিপন খলিফা, এম সজীব, রিয়াজ হোসেন, কাজী আল-আমিন, মোরশেদ আলম, আনোয়ার হোসেন বাবু, সাইফুল পাটওয়ারী, আমিরুল ইসলাম মিরন, ইসমাইল হোসেন, তাজু ভূঁইয়া, রাকিব হোসেন, আরাফাত হোসেন রিফাত, মো. জয়, মো. রিমন, মো. পিয়াস, মো. সৈকত, মো. শাওন ও অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচজন। অভিযুক্তরা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
মামলার বাদী সেলিম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে ও স্থানীয় সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসায়ী। তিনি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব।
ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, ‘সেলিম সিএনজি থেকে চাঁদা তোলেন। তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন। মামলায় ঘটনার যে সময় দেওয়া হয়েছে, তখন আমি পরিষদে ছিলাম। আমার কাছে সাক্ষ্য-প্রমাণ আছে। একটি চক্র সেলিমকে দিয়ে হয়রানির উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছে।’
লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটো বলেন, ‘আমি ঢাকায় ছিলাম। আদালতের নির্দেশনার কপি অফিসে এসেছে কি না জানা নেই। নির্দেশনা কপি হাতে পেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’