× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ময়মনসিংহের পাঁচ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১২:০৩ পিএম

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১২:৫৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ডা. খন্দকার গোলাম ছাব্বির আহমাদসহ পাঁচ আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এ রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন– মো. হরমুজ আলী, মো. আব্দুস সাত্তার, খন্দকার গোলাম রব্বানী, খন্দকার গোলাম ছাব্বির আহমাদ ও মো. ফখরুজ্জামান। তাদের মধ্যে ছাব্বির ও ফখরুজ্জামান পলাতক। বাকি তিন আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।

মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গুম ও অপহরণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন, রেজিয়া সুলতানা চমন ও ব্যারিস্টার তাপসকান্তি বল। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার, মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ  ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সানাউল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত বছরের ২৩ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে মামলাটির শুনানি শেষ হয়। এরপর গতকাল রবিবার আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ঠিক করে দেন।

এ মামলার মোট আটজন আসামির মধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে কারাগারে মারা গেছেন তিনজন। এরা হলেন জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ এমএ আব্দুল হান্নান, তার ছেলে মো. রফিক সাজ্জাদ ও মিজানুর রহমান মিন্টু।

বর্তমানে কারাগারে আছেন মো. হরমুজ আলী, মো. আব্দুস সাত্তার ও খন্দকার গোলাম রব্বানী। খন্দকার গোলাম ছাব্বির আহমাদ ও মো. ফখরুজ্জামান পলাতক।

২০১৫ সালের ১৯ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহমানের স্ত্রী রহিমা খাতুন এ মামলা দায়ের করেন।

ময়মনসিংহের ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক পরে মামলাটি ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান ২০১৫ সালের ২৮ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ১১ জুলাই পর্যন্ত তদন্ত করেন। ওই বছরের অক্টোবরে প্রসিকিউশনের আবেদনে মামলার আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

ওইদিনই ঢাকায় গ্রেপ্তার হন এমএ হান্নান ও তার ছেলে রফিক সাজ্জাদ। ময়মনসিংহ সদর ও ত্রিশালে গ্রেপ্তার হন বাকি তিনজন।

২০১৬ সালের ১১ জুলাই তদন্ত সংস্থা আটজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করে ট্রাইব্যুনালে। সেখানে আসামিদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, হত্যা ও গুমের অভিযোগ আনা হয়। ট্রাইব্যুনাল ২০১০ সালের ২৫ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু করেন।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা