বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:৫২ পিএম
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২০:২৮ পিএম
বৃহস্পতিবার বগুড়ার শিবগঞ্জে দাফনের ১৪ দিন পর নাদিরা বেগম নামে এক গৃহবধূর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন হয়। প্রবা ফটো।
বগুড়ার শিবগঞ্জে দাফনের ১৪ দিন পর নাদিরা বেগম নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলার পর আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। নাদিরা বেগম উপজেলার আতাহার গ্রামের হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী।
মরদেহ উত্তোলনের সময় বগুড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতাহার শাকিল উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ’আদালতের নির্দেশে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’
মামালার এজাহারে বলা হয়, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাতে নাদিরা বেগম মারা যান। এ সময় স্বাভাবিক মৃত্যু দাবি করে নাদিরার স্বামীর নেতৃত্বে দাফন করেন স্থানীয়রা। পরে মৃত্যুর বিষয়টি অস্বাভাবিক দাবি করে ৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে হত্যা মামলা করেন নাদিরার চাচাত ভাই সাইদুর রহমান। মামলায় নাদিরার স্বামী হেলালসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় আদালত ৯ ফেব্রুয়ারি নাদিরার মরদেহ উত্তোলনের আদেশ দেন।
মামলার বাদী সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমার বোনের মরদেহে জখমের চিহ্ন ও হাতের নখ কোঁকড়ানো ছিল। এ থেকে বোঝা যায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।’
মরদেহ উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতাহার শাকিল ছাড়াও শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম, আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।