চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:৫৬ পিএম
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:০২ পিএম
চট্টগ্রাম আদালত। প্রবা ফটো
চট্টগ্রামে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিচয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে করা মামলায় ছয় পুলিশ সদস্যকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফারজানা ইয়াসমিন মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ রায় ঘোষনা করেন।
খালাস পাওয়া ছয় পুলিশ সদস্য হলেন- চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীরের দেহরক্ষী কনস্টেবল মোরশেদ বিল্লাহ, নগর পুলিশের তৎকালীন উপকমিশনার গোয়েন্দা (পশ্চিম) মনজুর মোরশেদের দেহরক্ষী কনস্টেবল মো. মাসুদ, নগরের দামপাড়া রিজার্ভ ফোর্স অফিসে কর্মরত কনস্টেবল শাকিল খান ও এস্কান্দর হোসেন, নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার কর্ণফুলী কার্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম ও নগর গোয়েন্দা পুলিশে (উত্তর) কর্মরত কনস্টেবল আবদুল নবী।
জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় ছয় পুলিশ সদস্যকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বাদী আসামিদের শনাক্ত করেনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষীও দেয়নি। আমরা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তারা আগ্রহী হলে এই মামলায় উচ্চ আদালতে আপিল করব।’
২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ২টার দিকে আনোয়ারা থানার পূর্ব বৈরাগ গ্রামের বাড়ি থেকে আব্দুল মান্নানকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেন ওই ছয় পুলিশ সদস্য। কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখার পর এক লাখ ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পান আব্দুল মান্নান। এ ঘটনার তিনদিন পর ৭ ফেব্রুয়ারি আনোয়ারা থানায় মামলা করেন আবদুল মান্নান।
প্রাথমিক তদন্তে ওই ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার পর তাদেরকে গ্রেপ্তার এবং চাকরি থেকে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়টি সেসময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন সিএমপির তৎকালীন জনসংযোগ কর্মকর্তা ও নগর ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মো. আবদুর রউফ।