প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:৩৯ পিএম
আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:২৮ পিএম
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। ছবি : সংগৃহীত
ধর্মান্তর একটি গুরুতর বিষয়। এটা নিয়ে রাজনীতি করা যাবে না। একটি মামলার শুনানিতে সোমবার (৯ জানুয়ারি) এমনটাই মন্তব্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
ভারতে জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা ঘটছে। এতে করে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে। ধর্মান্তরের চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে দেশটিতে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়তে পারে। এমন সব অভিযোগে গত বছরের শেষের দিকে একটি মামলা করেন তামিলনাডুর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়। বিচারপতি এম আর শাহ ও সি টি রবিকুমারের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চে সোমবার মামলাটির শুনানি হয়।
স্ক্রলডটইনের মঙ্গলবারের (১০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার শুনানি চলাকালে তামিলনাডু সরকারের জ্যেষ্ঠ কৌসুলি পি উইলসন বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলাটি করা হয়েছে। আমাদের রাজ্যে জোরপূর্বক ধর্মান্তরের কোনো নজির নেই।’
পি উইলসনের জবাবে আদালত বলেন, ‘আমরা পুরো দেশ নিয়ে চিন্তিত। আপনার রাজ্যে যদি জোরপূর্বক ধর্মান্তরের কোনো ঘটনা ঘটে, তা খারাপ। আর যদি না ঘটে, তাহলে ভালো। তবে, আপনাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, এ ধরনের বিষয়কে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।’
গত ১২ ডিসেম্বর অশ্বিনী উপাধ্যায়ের মামলার আর্জি থেকে কিছু মন্তব্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন আদালত। কিছু খ্রিস্টান সংগঠনের তরফে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দুষ্যন্ত ডেভ আপত্তি করার পর ওই নির্দেশ দেন আদালত।
অশ্বিনী উপাধ্যায়ের আর্জির তথ্যমতে, ২০০১ সালে ভারতের মোট জনসংখ্যার ৮৬ শতাংশ ছিল হিন্দু। ২০১১ সালে তা কমে ৭৯ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু ওই সময়ে ভারতের হিন্দু জনসংখ্যা ৮০ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসে বলে উল্লেখ করা হয়েছে স্ক্রলডটইনের প্রতিবেদনে।
গত মে মাসে ভারতের ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত দুদশকে ভারতের যেসব ধর্মীয় গোষ্ঠীর জন্মহার কমেছে, তাদের মধ্যে শীর্ষ রয়েছে মুসলমান।