× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের এখতিয়ার নেই জামুকার : উচ্চ আদালত

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:০৭ পিএম

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪:৪৭ পিএম

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশ করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। কিন্তু তাদের সেই এখতিয়ার নেই বলে রায় দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি এবাদত হোসেনের বেঞ্চ এ রায় দেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০০২-এর ৭ (ঝ) ধারা অনুসারে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য জামুকা আবেদন গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গেজেটভুক্তির সুপারিশ করে থাকে। একই ধারা অনুসারে গেজেট বাতিলেরও সুপারিশ করে থাকে তারা। কিন্তু গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ২২ জন নৌকমান্ডো মুক্তিযোদ্ধার রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে জামুকার ক্ষমতা হরণ করলেন আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম টিপু।

রায়ে উচ্চ আদালত বলেছেন, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০০২-এর ৭ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সাব-কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো এখতিয়ার জামুকার নেই।’

আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু বলেন, ‘২০০৩ সালে সরকার গঠিত ৭ সদস্যের একটি যাচাই-বাছাই কমিটি ৪৭২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়ন করে। ওই কমিটির সুপারিশের আলোকে ২০০৫ সালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় রিট আবেদনকারী ২২ জন নৌকমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মানী-ভাতা দিয়ে আসছে। কিন্তু কিছু অতি উৎসাহী ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের কারণে ওই নৌকমান্ডো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবারও যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়। গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পুনরায় যাচাই-বাছাই করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ২২ বীর মুক্তিযোদ্ধা। রিটের প্রাথমিক শুনানি করে আদালত রুল জারি করেন।’ সেই রুল যথাযথ বলে বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত।

মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের জন্য জামুকা একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে : ১. কোনো মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে অন্য কোনো মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা নন মর্মে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গ্রহণ, ২. অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উভয়কে সাক্ষ্য-প্রমাণাদি উপস্থাপনের জন্য নির্ধারিত তারিখ উল্লেখ করে চিঠি দেওয়া, ৩. নির্ধারিত দিনে উভয়ের উপস্থিতিতে এক বা একাধিক তদন্ত, তদন্তে মুক্তিযোদ্ধা নন বলে প্রমাণিত হলে সুপারিশ করা হয় তার গেজেট বাতিলের জন্য, ৪. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিষয়টি জামুকার সভায় উপস্থাপন, ৫. সভায় গেজেট বাতিলের অনুমোদন দেওয়া হলে সেই সিদ্ধান্ত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ, ৬. পরিশেষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় গেজেট বাতিলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা