প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
প্রশান্ত কুমার হালদার। ফাইল ছবি
অর্থ আত্মসাতের একটি মামলায় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দেওয়া চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আমলে নিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে পলাতক তার সিন্ডিকেটের আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।
সেই সঙ্গে আগামী ১ সেপ্টেম্বর ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন পিকে হালদার (পলাতক), শঙ্ক বেপারী (জেলহাজতে আটক), মো. নুরুল আলম (পলাতক), নাসিম আনোয়ার (পলাতক), মো. নুরুজ্জামান (পলাতক), মোহাম্মদ আবুল হাসেম (পলাতক), এম এ হাশেম (পলাতক), জহিরুল আলম (পলাতক), মো. নওশেরুল ইসলাম (পলাতক), বাসুদেব ব্যানার্জি (জেল হাজতে আটক), পাপিয়া ব্যানার্জি (জেল হাজতে আটক), রাশেদুল হক (পলাতক), সৈয়দ আবেদ হাসান (জেল হাজতে আটক), নাহিদা রুনাই (জেল হাজতে আটক), আল মামুন সোহাগ (পলাতক), রাফসান রিয়াদ চৌধুরী (জেল হাজতে আটক), রফিকুল ইসলাম খান (পলাতক) ও মর্জিনা বেগম (পলাতক)।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া ঋণের কাগজপত্র প্রস্তুত করে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করেন। ওই ঘটনায় ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে দুদকের উপসহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে গত ২০ এপ্রিল আফনান জান্নাত কেয়া আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
প্রসঙ্গত, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে আলোচিত পিকে হালদার দেশ ছেড়ে পালিয়ে নাম পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে বসবাস শুরু করেন। ২০২২ সালের ১৪ মে সেখান থেকে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি সেখানেই কারাবন্দি রয়েছেন।