হাইকোর্টের রায় বহাল
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৫১ মিনিট আগে
ফাইল ছবি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে সংবিধানে ফিরছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ রায় ঘোষণা করেন।
শুনানির পরপরই অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, চার সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বদরুদ্দুজা মজুমদারসহ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে করা আপিলগুলো খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ হাইকোর্টের রায় বহাল থাকল।
এর অর্থ হচ্ছে, হাইকোর্ট বিভাগ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের যে প্রক্রিয়া করা হয়েছিল, তা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের পর চারটি বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে ফিরে আসা।
এ ছাড়া গণভোট ফিরে আসা, সংবিধানের ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের রিট ক্ষমতা সম্পর্কেও হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল থাকল। অর্থাৎ এই রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে এল। আর বাকি বিষয়গুলো, যেগুলো হাইকোর্ট সংসদের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেগুলো চূড়ান্তভাবে সংসদ সিদ্ধান্ত নেবে।
এর আগে, বুধবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষ হয়। টানা তিন দিন শুনানি শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করা হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটের পক্ষে ছিলেন ড. শরীফ ভূঁইয়া। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।