প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে আদালরতে তোলা হচ্ছে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে বনানী থানার হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ।
ঢাকার আদালতে বনানী থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার এ আবেদন করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ আবেদনটির শুনানির জন্য ৬ জুলাই তারিখ ধার্য করেছেন। প্রসিকিউশনের এসআই মোক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ করছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ ও হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। পরে উজ্জ্বল মিয়া গত বছরের ২৫ নভেম্বর বনানী থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ থেকে এ ঘটনায় খায়রুল হকের সংশ্লিষ্টতার তথ্য মিলেছে।
গত ২৩ মে সাতটি পৃথক মামলায় জামিন পাওয়ার পর খায়রুল হককে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীতে খোবাইব নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ৩০ জুন হাইকোর্ট ওই মামলায় তাঁকে জামিন দেন। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত এ মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন।
২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে। গত ৩০ মার্চ তিনি পাঁচটি মামলায় জামিন পান। এরপর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার পৃথক দুটি হত্যা মামলায় তাঁকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এমন অবস্থায় বিভিন্ন মামলায় বারবার তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এক রিট করা হয়। রিটের শুনানি শেষে ১৭ মে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন, যেসব মামলায় খায়রুল হককে আসামি করা হয়নি, সেসব মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো বা হয়রানি করা যাবে না।