× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পাঁচ বছর আগে কারাগারে মৃত্যু হওয়া আসামির ‍মৃত্যুদণ্ডের রায়

গাজীপুর প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ হাই কোর্ট। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ হাই কোর্ট। ফাইল ছবি

শেরপুরে ২০১৩ সালে এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে দণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করে হাই কোর্ট।

তবে দণ্ড পাওয়া ঐ আসামী ৫ বছর ৫ মাস আগেই কাশেমপুর কারাগারে মারা গেছেন। 

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দুই দিন শুনানি শেষে বুধবার এ রায় দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে কান্তি মারাক (৪৪) নামের এক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু হয়।

নিহত কান্তি মারাক শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানার পানিহাতা কেকামারি এলাকার নিতিশ মান্দার ছেলে।

কারাসূত্রে জানা যায়, তখন কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের দায়িত্বে ছিলেন সিনিয়র জেল সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন। তিন বছর বন্দি থাকার পর ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি সকালে কান্তি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

পরে তাকে গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরবর্তীতে কারাবিধি আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে কারা কর্তৃপক্ষ।   

এর আগে ২০১৩ সালের ৩০ মার্চ শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে বলে অভিযোগ ওঠে।

খোঁজাখুঁজির পর প্রতিবেশী কান্তি মারাকের ঘরের মেঝেতে রক্তের দাগ থাকা হাফ প্যান্ট পাওয়া যায়।

পরে আসামির বসতবাড়ির পাশে পানি সেচের ড্রেন থেকে উদ্ধার করা হয় শিশুটির মৃতদেহ।

এ ঘটনায় নিহত শিশুর দাদা কান্তি মারাকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা করেন। 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর কান্তি মারাক আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে এ মামলায় বিচারিক আদালতে বিচার শেষে ২০১৯ সালে কান্তির মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়। 

জানা যায়, তা অনুমোদনের জন্য ওই বছরেই ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাই কোর্টে আসে।

এরপর বুধবার রায় ঘোষণার পর আসামি মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারলে আইনজীবীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

তারা বলেন, জেলারদের জানানো উচিৎ ছিল আসামির মৃত্যুর বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল, সলিসিটর উইং বা মন্ত্রণালয় অথবা আসামি পক্ষের আইনজীবীকে জানানো।

এবিষয়ে জানতে চাইলে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, এটি অবশ্যই জানানো হয়েছিল বলে আমার ধারণা। কেননা আমাদের কারাগারে কেউ মারা গেলে চিঠি দিয়ে সব দপ্তরে জানিয়ে দেই।

যেহেতু প্রায় ৬ বছর আগের ঘটনা, তখন যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তিনি ভালো জানেন। তবে আমরা মৃত্যুর পর সবাইকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেই, দাবি করেন তিনি। 

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা