জুলাই হত্যাচেষ্টা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত বুধবার মমতাজকে গ্রেপ্তার দেখানো আদেশ দেন। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার মিরপুর মডেল থানায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মো. মুক্তার হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত বুধবার এই আদেশ দেন।
এদিন মমতাজ বেগমকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. আজিজুল হক তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার আবেদনে বলা হয়, আসামির এই মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এ জন্য আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।
আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার তদন্ত চলমান। আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে তাকে মামলার ঘটনার বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরবর্তী সময়ে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।
মামলার এজহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের সময়ে বাদী ও ভিকটিম মো. মুক্তার হোসেন মিরপুরের সুইমিং ও ফায়ার সার্ভিসের রাস্তায় আন্দোলনে যোগ দেন।
আন্দোলন দমাতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজন তাদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট মুক্তার হোসেনের শরীর ও বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পরে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী সময়ে কুর্মিটোলা হাসপাতালে মুক্তার হোসেন চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় মুক্তার একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
২০২৫ সালের ১২ মে রাত পৌনে ১২টায় ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
পরদিন তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার সিএমএন আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছে।
মমতাজ নবম সংসদ নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন। পরে ২০১৪ সালে তাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয়।
২০১৮ সালেও নৌকা নিয়ে জয় পাওয়া মমতাজ ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে দলের এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে হেরে যান।