কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে জেল আপিল করেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। ছবি: ফেসবুক থেকে
পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের দায়ের করা জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হাইকোর্টে জেল আপিল করেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি। গত ৯ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ডেথ রেফারেন্সও অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ফৌজদারি মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে হাইকোর্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার দায়ে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় এ রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। আদালত নির্দেশ দেন, এ অর্থ ভুক্তভোগী রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।