প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৩৯ পিএম
আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:০৮ পিএম
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি। ফাইল ফটো
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালত রবিবার এ আদেশ দেন।
এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে ডিবি পুলিশ। তবে ওই অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট নয় ইনকিলাব মঞ্চ।
গত ১২ জানুয়ারি মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য দুই দিন সময় প্রার্থনা করেন। আদালত সময় মঞ্জুর করে ১৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য করেন। কিন্তু সেদিন ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি আবেদন দাখিল করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
তদন্তভার পাওয়ার পর মামলার প্রধান আসামি করিম মাসুদ ওরফে রাহুলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফয়সাল রুবেল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুই দফায় ১২ দিনের রিমান্ড শেষে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ আদায় ও নির্বাচনি প্রচারণা শেষে শহীদ ওসমান হাদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে অপারেশনের পর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।