প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৫১ পিএম
ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলম। ফাইল ফটো
দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান থাকায় ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর সাবেক মহাপরিচালক সাইফুল আলমের একটি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে থাকা ট্রাস্ট গ্রিন সিটি প্রকল্পের পাঁচ কাঠার একটি প্লট ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদ ক্রোকের আদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলমের সম্পদ বিবরণী যাচাই করে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ব্যাংক হিসাবের অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর কিংবা বেহাত করার চেষ্টা করছেন।
এছাড়া প্লট ক্রয়ের জন্য জমা দেওয়া অর্থ (যার রেজিস্ট্রেশন এখনও সম্পন্ন হয়নি) উত্তোলনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ সম্পদ গোপনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগেই এসব সম্পদ স্থানান্তর বা হস্তান্তর হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে তা উদ্ধার করা দুরূহ হয়ে পড়বে।
এ অবস্থায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১০ ও ১৪ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ১৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ এবং স্থাবর সম্পদ ক্রোক করা একান্ত প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।