প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:২৬ পিএম
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশ-এর মহাসচিব শওকত মাহমুদ। ফাইল ফটো
শাহবাগ থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশ-এর মহাসচিব শওকত মাহমুদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের উপর শুনানির দিন আগামী বৃহস্পতিবার ধার্য করা হয়েছে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আখতার মোর্শেদ শওকত মাহমুদকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী জানান, মামলার মূল নথি না থাকায় রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হয়নি। বৃহস্পতিবার রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
সরকার ‘উৎখাতের ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে যে মামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার হয়েছেন, একই মামলায় রবিবার শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে ডিবি পুলিশ তাকে মাইক্রোবাসে করে সিএমএম আদালতে নিয়ে আসে এবং হাজতখানায় রাখা হয়।
মামলার বিবরণী অনুযায়ী, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী। তিনি ১৯৮৮ সালে আমেরিকায় যান ও ২০০৪ সালে আমেরিকান পাসপোর্ট পান। বর্তমানে বাংলাদেশের বৈধ অন্তবর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করার জন্য অন্যদেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে গত ৬ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন।
মামলায় বলা হয়েছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিন্টো রোড এলাকায় প্রাডো গাড়িতে করে ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘুরতে থাকেন। তাকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তার গাড়ি থামায়। কেন এখানে ঘোরাঘুরি করছেন, জানতে চাইলে তিনি পুলিশকে কোনো উত্তর দিতে পারেননি। এজন্য তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছে থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করা হয়। এরপর মামলায় জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।