প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২০:৪১ পিএম
আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২০:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত।
প্রকাশ্যে জোর করে চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। মানবাধিকার সংস্থার মতে, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, যা ভুক্তভোগীর মর্যাদায় সরাসরি আঘাত হানছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসক।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে একজন পথচারীর চুল ও চুলের জট জোরপূর্বক কেটে দিচ্ছেন। এটি অমানবিক, বেআইনি এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংবিধানের ৩১, ৩২ ও ৩৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, এবং নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আসক বলেছে, প্রকাশ্যে চুল কাটা কেবল মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন নয়, এটি ভুক্তভোগীর মর্যাদায় আঘাত সৃষ্টির পাশাপাশি সমাজে ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরিও করছে।
আসক দাবি করেছে, দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে, ভবিষ্যতে কোনো নাগরিক আর এমন অবমাননাকর ও বেআইনি আচরণের শিকার হবে না।