প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৫ ১৫:০১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আদালতে জামিন চাইতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন। এজন্য তিনি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করতেও অস্বীকৃতি জানান।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে এ তথ্য জানান তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম।
এদিন রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না, মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।
এর আগে শুক্রবার সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। তাদের হাতকড়া, হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় কাঠগড়ায় আনা হয়। এ সময় হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন লতিফ সিদ্দিকী। অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন) পুলিশকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলতে বললে তা খোলা হয়।
সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এজলাসে উঠলে আইনজীবীরা আসামিদের স্বাক্ষর নেন। লতিফ সিদ্দিকী বাদে অন্যরা ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেন।
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম জানান, লতিফ সিদ্দিকীর কাছে স্বাক্ষর চাইলে তিনি বলেন, ‘আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তাহলে কেন জামিন চাইব? আমি স্বাক্ষর করব না।’
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন এর বিরোধিতা করেন। পরে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে নেওয়ার পথে সাংবাদিকরা লতিফ সিদ্দিকীর কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি মাথা নেড়ে জানান, তার বলার কিছু নেই।