× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ফিরিয়ে দাও শুকুর আলীর সেই ১৮টি বছর

পারভেজ খান

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৪ ১০:৫১ এএম

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৪ ১২:১৪ পিএম

ফিরিয়ে দাও শুকুর আলীর সেই ১৮টি বছর

২০০১ সালের ৮ জুলাই। মুন্সীগঞ্জ সদর থানার রামপালের সিপাহীপাড়া গ্রাম। শুকুর আলীর বাড়িতে সেদিন তার আট বছরের ছেলে রকির সুন্নতে খাতনার অনুষ্ঠান। দিন গড়িয়ে রাত হয়। আনুমানিক রাত দুইটা কি আড়াইটা হবে। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমিয়ে আছেন শুকুর আলী। হঠাৎ পুরো ঘর আলোয় ভরে যায়। শুকুর আলী চোখ মেলে দেখেন, এটা ভোরের আলো নয়, চারপাশে দাউদাউ করে জ্বলছে সর্বনাশা আগুন।

কীভাবে কী হলো বুঝে ওঠার আগেই টের পান তার শরীরেও এসে লাগছে সেই আগুন। তার আর্তচিৎকারে এগিয়ে আসেন প্রতিবেশীরা। সবার চেষ্টায় কেউ কেউ ওই আগুনের মধ্য থেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। দগ্ধ অবস্থায় শুকুর আলীসহ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ওই আগুনে প্রাণ হারান তার স্ত্রী, ছেলেমেয়েসহ পরিবারের পাঁচ সদস্য। তাদের তিনজনই শিশু। এটা জানার পর, অচেতন হয়ে পড়েন শুকুর আলী। এরপর নিজেকে আবিষ্কর করেন হাসপতালের বিছানায়।

এভাবেই চলছিল বেশ কয়েক দিন। সবমিলিয়ে ১০ দিন। ১৯ জুলাই হাসপাতালের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। কারও ডাকে ঘুম ভাঙে। চোখ মেলে দেখেন চারপাশে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় শুকুর আলীকে। অভিযোগ, আগুন লাগিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের তিনিই পুড়িয়ে মেরেছেন। স্ত্রী কারও সঙ্গে পরকীয়া করতেন এবং সেটা জানার পর তিনিই নাকি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। অভিযোগ শুনে হতবাক হয়ে পড়েন শুকুর আলী। জানতে চান, অভিযোগটা কার? উত্তর আসেÑ মামলা করেছে পুলিশ বাদী হয়ে। তিনি আরও অবাক হয়ে যান। স্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনরা আছেন। তারা কেউ মামলা করলেন না, করল পুলিশ। কিন্তু কেন?

কারাগারে পাঠানোর আগে পুলিশ জোর করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও আদায় করে পেশায় ‘কসাই’ শুকুর আলীর কাছ থেকে। কারা হাজতের অন্ধকারে বসে কারণ খুঁজতে থাকেন শুকুর আলী। বোঝার চেষ্টা করেন, ঘটনার পেছনের রহস্যটা কী? এরই মধ্যে মামলা এগিয়ে চলে সামনের দিকে। একে একে ১৭ জন সাক্ষ্য দেন আদালতে। অনেক সাক্ষীই কথা বলেন তার বিরুদ্ধে। অন্যদিকে প্রকৃত রহস্যের কোনো কূলকিনারা না পেয়ে ভাবনার অতলে হারিয়ে যান শুকুর আলী।

একসময় নিজেকে সোপর্দ করে দেন ভাগ্যের কাছে। বিশ্বাস রাখেন, সৃষ্টিকর্তা একদিন হয়তো সহায় হবেন। এভাবেই কেটে যায় আরও কিছু দিন। দিন শেষে বছর। ২০০৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালত মামলাটির রায় দেন। রায় হয়, ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু কার্যকর করার। কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে শুকুর আলীকে পাঠানো হয় কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারের কনডেম সেলে। সেলেই কাটতে থাকে তার অপেক্ষার দিনরাত্রি। প্রতিদিন যখন দুই-এক ঘণ্টার জন্য সেলের বাইরে আনা হতো, তখনই তিনি আকাশ দেখতে পেতেন। সেই সময় তার মনে হতো, ওপরে তো একজন আছেন। আকাশের দিকে মুখ তুলে বলতেন, ‘খোদা, যার কেউ নেই, তার সহায় তুমি। আর কেউ না জানুক, তুমি তো জানো আমি অপরাধ করেছি কি না। তোমার হাতেই নিজেকে সোপর্দ করলাম।’ 

২০১২ সালের ২৭ মে। হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স পর্যালোচনায় রায় দেওয়া হয় শুকুর আলী সম্পূর্ণ নির্দোষ। একই দিন তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কারা কর্তপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয়, যদি অন্য কোনো মামলায় শুকুর আলী গ্রেপ্তার না থাকেন তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। কিন্তু শুকুর আলীর এমনই দুর্ভাগ্য যে মুক্তি পেয়েও তখনই পাননি মুক্তির স্বাদ। নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পরও কেটে যায় আরও ১২টি বছর। অবশেষে সেই মুক্তি মিলেছে মাত্র ক’দিন আগে, গত ১১ নভেম্বর। তবে সেটাও সহজে হয়নি। এর পেছনেও রয়েছে নাটকীয় সব ঘটনার সংযোগ। শুকুর আলীর জীবন কাহিনী হার মানাবে যে কোনো চিত্রনাট্যকেও। 

শুকুর আলীর মুক্তি ও একজন মানবিক আইনজীবী ফারুকী

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুজা-আল-ফারুকী। গত ফেব্রুয়ারিতে একটি মামলার ব্যাপারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কয়েদির সঙ্গে কথা বলার জন্য একজন জুনিয়র আইনজীবীকে পাঠিয়েছিলেন কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে। সেখানে ওই কয়েদির সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই শুকুর আলীর ব্যাপারে জানতে পারেন সেই আইনজীবী হাসান আব্দুল ফাত্তাহ কাওসার। তিনি এসে ঘটনাটি জানান তার সিনিয়র ফারুকীকে।

পুরো ঘটনা শুনে চমকে ওঠেন তিনি। কালবিলম্ব না করে নামেন নিবিড় অনুসন্ধানে। যোগাযোগ করেন কারা কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে উচ্চ আদালতের নানা বিভাগে। অভিজ্ঞতার আলোকে এই আইনজীবী বুঝতে পারেন, হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স সম্পন্ন হওয়ার পর নথি কোথায় আটকে আছে। 

ফারুকী বলেন, সাধারণত ১০-১৫ দিনের বেশি সময় লাগে না, সেখানে ১২ বছর কেটে যাচ্ছে। এটা কী করে সম্ভব? তাই কারণ অনুসন্ধান করতে শুরু করি। একপর্যায়ে বেরিয়ে আসে, মুন্সীগঞ্জ কারাগার থেকে যে কাগজটি কাশিমপুর কারাগারে পাঠানোর কথা ছিল সেটি পাঠানো হয়নি। নোটিস পাঠানো হয় কারা প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কয়েক কারা কর্মকর্তাকে। কিন্তু তল্লাশি চালিয়েও সেখানে কোনো নথি খুঁজে পাওয়া যায় না। বিষয়টি তখন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার পেলে তা নজরে আসে প্রধান বিচারপতির। তিনি সদয় হন এবং শেষ পর্যন্ত তার নির্দেশে সবই উদ্ধার হয়। আর সেই আদেশবলেই গত ১১ নভেম্বর কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান শুকুর আলী।

আদালত সূত্র জানায়, এ ধরনের ঘটনা বিরল এবং চরম গাফিলতির নজির। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তদন্ত চলছে। এই ঘটনার পেছনে কার বা কাদের ব্যর্থতা রয়েছে সেটা তদন্তেই বের হয়ে আসবে। 

১৮ বছর পরের একদিন

শুকুর আলী, সত্যিই চরম ভাগ্য বিড়ম্বিত একজন মানুষ। ১৮ বছরের বন্দি জীবন কাটিয়ে মুক্ত আলোয় ফিরে এসেও কারাফটকে পাননি কোনো স্বজনের দেখা। চারপাশে সব অচেনা মুখ, অচেনা এক এলাকা কাশিমপুর কারাফটকের বাইরে। 

সে অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে শুকুর আলী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান, সময়টা ছিল পড়ন্ত বিকাল। তিনি যে ওই দিনই মুক্তি পাবেন সেটা আত্মীয়স্বজনদের কেউ জানত না। ফলে জেলগেটে কেউ তাকে নিতে আসেনি। একই দিন মুক্ত হন আরও এক বন্দি। তিনিই তাকে সঙ্গে করে নিয়ে আসেন বাসস্ট্যান্ডে। সেখান থেকে দুজন বাসে ওঠেন। মুক্তি পাওয়া অপর বন্দি নেমে যান টঙ্গীতে। শুকুর আলী আসেন যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া পর্যন্ত। পকেটে সামান্য কিছু টাকা ছিল। এক মেয়ের জামাই তার জন্য কারাগারে মাঝেমধ্যে কিছু টাকা পাঠাতেন। সেটা থেকে সামান্য কিছু তিনি রেখে দিয়েছিলেন। বাসচালককে জানালে তার কাছ থেকে কোনো ভাড়া নেননি।

শনির আখড়া নেমে কোথায় যাবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না শুকুর আলী। দেড় যুগের কারাবাসে মানসিকভাবেও অনেকটা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তারপরও একে ওকে জিজ্ঞাসা করে তিনি মুন্সীগঞ্জ যাওয়ার পথ জেনে নেন। রিকশায় করে শনির আখড়া থেকে আসেন পোস্তগোলা। এরপর একটা সিএনজি বেবিট্যাক্সি ভাড়া করে চলে যান মুন্সীগঞ্জ। রাত তখন প্রায় ১১টা। এলাকার পথঘাটও ঠিকমতো চিনে উঠতে পারছিলেন না।

শুকুর আলী বলেন, তিনি ওই এলাকায় কসাইয়ের কাজ করতেন। ঘটনার আগের দিন তার ছোট ছেলে রকির সুন্নতে খৎনার অনুষ্ঠান ছিল। এ কারণে বাড়িতে অনেক মেহমান ছিল। ঘটনার দিন তার স্ত্রী শিউলী আক্তার, সাত বছরের ছেলে রকি, দুই বছর বয়সের মেয়ে বৃষ্টি, বেড়াতে আসা শ্যালিকার দুই শিশুসন্তান শুভ ও আকাশ অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়। আহত হলেও কোনোভাবে প্রাণে বেঁচে যায় তার দুই মেয়ে এবং তিনি। এই মেয়ের বাড়ির উদ্দেশেই তিনি মুন্সীগঞ্জে যান।

শুকুর আলী বলেন, মামলা চালাতে গিয়ে নিজের বসতভিটা আর সামান্য জমির সবটুকু বিক্রি করতে হয়েছে আগেই। ভাইয়েরাও তার জন্য নিজেদের সম্পদ বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন তারা সবাই ভাড়া থাকেন। ফলে বন্দিদশা থেকে মুক্তির পর শুকুর আলী কোথায় কার কাছে যাবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। 

এ যেন এক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে আরেক কারাগারে প্রবেশ। এ রকম অবস্থায় হঠাৎ তার মনে পড়ে যে মেয়ের বাড়িতে যেতে চাইছেন তার মোবাইল নম্বরের কথা। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় এতক্ষণ মনে পড়ছিল না। অনেকক্ষণ চেষ্টার পর মনে করতে পারেন সেই নম্বরটি। একজন পথচারীকে অনুরোধ করে কল করেন ওই নম্বরে। খবর পেয়ে ছুটে আসেন মেয়ে। এরপর থেকে তিনি গত কয়েক দিন মুন্সীগঞ্জ সদরের মাকহাটিতে সেই মেয়ের বাড়িতেই আছেন।

হারিয়ে যাওয়া সেই ১৮টি বছর

প্রথম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর কিছু দিনের জন্য জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন শুকুর আলী। কিন্তু এরপর সাজার আগে আর পরে মিলিয়ে চলতি ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত হিসাব কষলে তিনি লাল দেয়ালের মাঝে বন্দি ছিলেন টানা ১৮টি বছর। এর মধ্যে ২০০৬ সাল থেকে ছিলেন কাশিমপুরের কনডেম সেলে। এখন তার বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। 

১৮ বছরের বন্দি জীবন কাটিয়ে বের হয়ে আসা শুকুর আলী এখন যেন এক ভিন্ন জগতের মানুষ। দীর্ঘশ্বাস ফেলে এই প্রতিবেদকে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলার নামে যত অবিচার হয়েছে তা নিয়ে এখন আর কোনো আক্ষেপ নেই। হয়তো তিনি জীবনে অন্য কোনো অপরাধ করেছিলেন, যে কারণে সৃষ্টিকর্তা তাকে এভাবে সাজা দিলেন। আগুনের ঘটনাটি দুর্ঘটনা ছিল নাকি কেউ লাগিয়ে দিয়ে তাকে ফাঁসিয়েছে সে ব্যাপারেও তিনি নিশ্চিত নন। কাজেই অভিযোগই-বা করবেন কার বিরুদ্ধে? যে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের পরিবারেরও কারও কোনো অভিযোগ নেই তার বিরুদ্ধে। সবার সঙ্গেই সুসম্পর্ক আছে। কারা কেন তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছে, সেটাও তিনি আজ আর জানতে চান না।

একদমই যে হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন শুকুর আলী তা নয়। উচ্চ আদালত তাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলেও কেন তারপরও ১২ বছর তাকে অবৈধভাবে আটকে রাখা হলো, সেটার জবাব তিনি চান এখনও। আরও চান দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ। 

শুকুর আলীর শেষ কথাÑ আজ আমি সর্বহারা। জানি না জীবনের বাকি দিনগুলো কীভাবে কাটবে। রাতে মাথা গোঁজার মতো একটা ঠাঁই নেই। টাকা নেই যে ব্যবসা করব। চাষাবাদের জমি নেই। পরগাছার জন্যও কোনো একটা গাছ বা শাপলার তলাতেও ভেসে থাকবার মতো পানি থাকে। আমার সেটাও নেই। এখন একটাই সম্বল, তিনি হলেন সৃষ্টিকর্তা। যিনি আমাকে মৃত্যুর দরজা থেকে ফিরিয়ে এনেছেন। 

এ ঘটনার ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাঈদুল মুনিম পিয়াস গতকাল মঙ্গলবার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, মামলার উদ্দেশ্যটাই ছিল অসৎ। শুকুর আলীর স্ত্রীর পরিবারের কেউ মামলা না করলেও পুলিশ নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করে। যেহেতু পুলিশ বাদী মামলার, সে কারণে পুলিশ আর ওই মামলার অভিযোগকে মিথ্যে বলেনি। তদন্তে ফাইনাল রিপোর্ট দিলে তারাই ফেঁসে যেত। এ কারণেই হয়তো মিথ্যা সাক্ষী জোগাড় করে মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়। হতদরিদ্র হওয়ার কারণে শুকুর আলীর পক্ষেও সেভাবে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এই মামলার রায় দেন। এখন সুপ্রিম কোর্টের তদন্তে বের হয়ে আসবে, ডেথ রেফারেন্স সম্পন্ন হওয়ার পরও শুকুর আলীকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশটি কোথায় টানা ১২টা বছর জট বেঁধে ছিল। 

জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান ১৮টি বছর কেউ ফিরিয়ে দিতে না পারলেও ব্যারিস্টার সাঈদুল মুনিম পিয়াস জানান, দাবি করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন শুকুর আলী।  

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা