প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২০:৫১ পিএম
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১:১০ পিএম
এপিবিএন সদস্য সুজন। ফাইল ফটো
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে পুরান ঢাকার চানখারপুলে গুলি চালানোর ঘটনায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্য সুজন হোসেনকে শাহবাগ থানায় করা ৯ নম্বর হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার সুজন এপিবিএন-১৩ উত্তরা পূর্ব শাখার কনস্টেবল।
পুলিশ সদর দপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষে শনিবার ( ১৪ সেপ্টেম্বর) সুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে শাহবাগ থানা পুলিশ। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি।
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. সারোয়ার জাহান জানান, গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে চানখাঁরপুল এলাকায় গুলি চালানোর চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রচারের পর পুলিশ সদস্য সুজনকে শনাক্ত করে ডিবি পুলিশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে চানখাঁরপুল এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন নিহত ও বহু আহত হয়। ওই সময় তৎকালীন ডিএমপির রমনা জোনের অতিরিক্ত-কমিশনার (এডিসি) আখতার হোসেনকে পাশে দাঁড়িয়ে থেকে নির্দেশ দিতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই এলাকার মানুষকে নিশানা করে গুলি করছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। এর মধ্যে পরিষ্কার একটি ফুটেজে এপিবিএন-১৩ সদস্য কনস্টেবল সুজনকে দেখা যায়।
শাহবাগ থানায় করা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাইনুল ইসলাম খান পুলক বলেন, গত ৫ আগস্ট মোহাম্মদ ইসমামুল হক নামে একজন গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় গত ২৫ আগস্ট নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ মহিবুল হক বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করা করেন। মামলায় শেখ হাসিনাসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়ছে। এ ছাড়া আরও অনেককে অজ্ঞাত হিসেবে আসামি কার হয়েছে। ওই মামলায় কনস্টেবল সুজন অভিযুক্ত। তাকে প্রথমে ডিবি পুলিশ আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ সদর দপ্তরের অনুমতি ও নির্দেশনায় শনিবার তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।