পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধস
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৪ ১৭:০৬ পিএম
আপডেট : ২৬ মে ২০২৪ ১৭:৩৮ পিএম
ভূমিধসে মাটির নিচে চাপা পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন সাহায্যকারীরা। পাপুয়া নিউগিনির এঙ্গা প্রদেশ থেকে তোলা। ছবি : সংগৃহীত
পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭০ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ। রবিবার (২৬ মে) জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২৪ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানী পোর্ট মোরেসবির প্রায় ৬০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এঙ্গা প্রদেশের কাওকালাম গ্রামে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পাপুয়া নিউগিনিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার প্রধান সেরহান আক্তোপ্রাক জানিয়েছেন, শুক্রবারের ভূমিধসের ফলে প্রাথমিকভাবে এঙ্গা প্রদেশের ওপর যে পরিমাণে প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব পড়েছে।
ত্রাণ প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী মানবিক সংস্থা কেয়ার অস্ট্রেলিয়ার একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ঠিক কতজন নিহত হয়েছে তা আমরা এখনও জানি না। হয়তো তা জানতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে যে সময়ে ভূমিধসটি হয়েছিল তখন সবাই ঘুমিয়ে ছিল। এতে ধারণা করা হচ্ছে নিহতের সংখ্যা বাড়বে।’
রবিবার পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
আক্তোপ্রাক বলেছেন, ‘বর্তমানে অনুমান করা হচ্ছে এঙ্গা প্রদেশের দেড়শর বেশি বাড়ি ভূমিধসে চাপা পড়েছে। ভূমিধস এখনও সম্পূর্ণরূপে থামেনি। তাই উদ্ধারকারীরা ঝুঁকিতে রয়েছেন। তা ছাড়া ঘটনাস্থলে পানি প্রবাহিত হচ্ছে, যা ফউদ্ধার কাজে জড়িত সবার জীবন বিশাল ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।’
ভূমিধস কবলিত এলাকাটিতে প্রায় ৪ হাজার মানুষের বসবাস ছিল।
কেয়ার অস্ট্রেলিয়া সতর্ক করে বলেছে, ‘প্রতিবেশি অঞ্চলে উপজাতীয় দ্বন্দ্ব চলছে। সেখান থেকে অনেকে পালিয়ে এসেছিল। তাই ভূমিধসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে।’
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে অন্তত এক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
আক্তোপ্রাক আরও বলেছেন, ‘যে বাগানগুলোতে খাদ্য ও পানির সরবরাহ ছিল সেগুলো পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। সাহায্যকারীরা ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনরুদ্ধার করার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপায় অবলম্বন করছেন। মাটির নিচে চাপা পড়া মরদেহগুলো সরাতে তারা লাঠি, কোদাল ব্যবহার করে মাটি খনন করছেন।’
সূত্র : বিবিসি