প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১০:২০ এএম
আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১১:০২ এএম
রুশ সেনা প্রত্যাহারের পর খেরসন শহরের কেন্দ্রে জড়ো হন বাসিন্দারা। ছবি : সংগৃহীত
রাশিয়ার সেনাদের বিরুদ্ধে খেরসনে যুদ্ধাপরাধ ও বেসামরিক লোকদের হত্যার অভিযোগ এনেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে এক ভিডিওবার্তায় জেলেনস্কি এ অভিযোগ আনেন।
দীর্ঘ সময় রুশ বাহিনীর দখল থেকে গত সপ্তাহে খেরসন শহর পুনর্নিয়ন্ত্রণে নেয় ইউক্রেন বাহিনী।
জেলেনস্কি বলেন, ‘তদন্তকারীরা ইতোমধ্যে চার শর বেশি যুদ্ধাপরাধের তথ্য নথিভুক্ত করেছেন। নিহত বেসামরিক ও সেনা সদস্যদের লাশ পাওয়া গেছে।’
তবে কোন জায়গায় সেসব লাশ পাওয়া গেছে তা উল্লেখ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘রাশিয়ার সেনাবাহিনী দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যে বর্বরতা দেখিয়েছে, সেই একই বর্বরতা করে গেছে এখানেও।’
জেলেনস্কির এসব অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব ছিল না। অন্যদিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছে মস্কো।
রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর ইউক্রেনজুড়ে বিভিন্ন স্থানে গণকবর পাওয়া গেছে। যেখানে বেসামরিক লোকদের মৃতদেহ রয়েছে। উত্তর-পূর্ব খারকিভ অঞ্চল ও রাজধানী কিয়েভের কাছে বুচাতে আবিষ্কৃত ওই গণকবরগুলো সেসব এলাকায় নির্যাতনের প্রমাণ। ইউক্রেন এ অপরাধের জন্য রুশ সেনাদের অভিযুক্ত করেছে।
অক্টোবরে জাতিসংঘের একটি কমিশন জানায়, ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এর জন্য রুশ বাহিনীকে যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করে ওই কমিশন।
কয়েক মাস দখলের পর শুক্রবার খেরসন থেকে মস্কো সেনাদের প্রত্যাহারের পর ইউক্রেনীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেপ্টেম্বরে যে চারটি অঞ্চলকে সংযুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তার মধ্যে খেরসন একটি। সে সময় পুতিনের এ পদক্ষেপের নিন্দা জানায় পশ্চিমা দেশগুলো এবং কিয়েভ একে অবৈধ বলে অভিহিত করে।