প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৪ ১৩:০২ পিএম
আপডেট : ২৩ মে ২০২৪ ১৩:২৩ পিএম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (মাঝে) ইব্রাহিম রাইসি ও তার সঙ্গে নিহতদের জানাজা নামাজ পড়াচ্ছেন। বুধবার (২২ মে) ইরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও তার সঙ্গে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহতদের জানাজা নামাজ পড়িয়েছেন। বুধবার (২২ মে) সকালে দেশটির রাজধানী তেহরানে বিপুল শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
নিহতদের মরদেহ সকাল প্রায় ৮টা ১৫ মিনিটে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়। যেখানে ইতোমধ্যে ইরানের জনগণ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অশ্রুসিক্ত নয়নে তাদের প্রতি শেষবিদায় ও শোক জানাতে উপস্থিত ছিলেন। মরদেহগুলো নিয়ে আসার কয়েক মিনিট পর খামেনি তাদের জানাজা নামাজ পড়ান।
জানাজা নামাজের পর মরদেহগুলো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনঘেলাব স্ট্রিট দিয়ে আজাদি স্কয়ারে স্থানান্তর করা হয়।
রাইসি ও আমির আবদুল্লাহিয়ানের ছবি নিয়ে ও ইরানের পতাকা নাড়তে নাড়তে কালো পোশাকধারী ইরানিরা মরদেহগুলোর সঙ্গে সঙ্গে পথ চলতে থাকেন।
ইরানের স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সিকে ইরানের শীর্ষ নেতাদের উপদেষ্টা ও ইরানের সংসদের সাবেক স্পিকার আলি লারিজানি জানিয়েছেন, রাইসি খুবই নম্র ও ভদ্র ছিলেন। আর তার চরিত্রের এ দুটি দিকই রাজনীতিবিদ ও দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে সহায্য করেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্টের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা এবং সংসদ বিষয়ক সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হোসেইনি বলেছেন, রাইসি ইরানি জনগণের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। তারা তাকে অনেক ভালোবাসত। তিনি কঠোর পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান, ধার্মিক ও নিঃস্বার্থ ছিলেন।
বুধবার সন্ধ্যায় তেহরানের আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে রাইসি ও তার সঙ্গে নিহত সফরসঙ্গীদের জন্য একটি স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ’র মতে কয়েক ডজন দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬৮ জন কর্মকর্তা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা রাইসি ও তার সঙ্গে নিহতদের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
প্রয়াত প্রেসিডেন্টের মরদেহ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে দাফন করা হবে।
রবিবার (১৯ মে) হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির আবদুল্লাহিয়ানসহ আরও সাতজন নিহত হন।
সূত্র : সিনহুয়া