প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৪ ১৭:০৩ পিএম
আপডেট : ১৪ মে ২০২৪ ১৯:০১ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে করমর্দন করছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের কথা তুলে ধরতে মঙ্গলবার (১৪ মে) আকস্মিক কূটনৈতিক সফরে কিয়েভে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।
ব্লিঙ্কেন যুদ্ধক্ষেত্রে ‘সত্যিকারের পার্থক্য’ আনতে পারে এমন সহায়তা আসছে বলে ইউক্রেনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ইউক্রেনের একটি সামরিক সহায়তা প্যাকেজ আটকে গিয়েছিল। অবশেষে গত এপ্রিলে ইউক্রেনকে ৬১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সহায়তার জন্য জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন। এরপর ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার এটিই প্রথম সফর।
রাশিয়া বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলে নতুন ফ্রন্ট লাইন চালু করেছে।
ব্লিঙ্কেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন,‘ যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সত্যিকারের পার্থক্য আনতে পারবে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা এখন আসার পথে। এর কিছু অংশ এরই মধ্যে ইউক্রেনে এসে পৌঁছেছে। আরও আসবে।’
ব্লিঙ্কন আরও বলেছেন, ‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য সর্বোত্তম সম্ভাব্য তিরস্কার হবে একটি শক্তিশালী, সফল, সমৃদ্ধ, মুক্ত ইউক্রেন। ওয়াশিংটন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেন সামরিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে ও গণতান্ত্রিকভাবে তার নিজের পায়ে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবে।’
জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ সহায়তার প্রশংসা করে দেশটির সবচেয়ে বড় ঘাটতি বিমান প্রতিরক্ষার ওপর জোর দেন।
তিনি ব্লিঙ্কেনকে বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিক, যোদ্ধা, সবাই রুশ হামলার মুখে রয়েছে। রাশিয়ার বিমান হামলায় বিপর্যস্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভের জন্য ইউক্রেনের দুটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যাটারি প্রয়োজন।’
সূত্র : আলজাজিরা