প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২২ ১৫:০৮ পিএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২২ ১৫:৩৭ পিএম
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজের সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে উত্যপ্ত হয়ে ওঠেছে বিশ্ব। এ যুদ্ধে রাশিয়া পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে, এ শঙ্কা শক্তিশালী হচ্ছে। এ অবস্থঅয় পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও ব্যবহারের হুমকি বন্ধে বিশ্ব নেতাদের যৌথভাবে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার রবাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার (৪ নভেম্বর) বেইজিংয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহ্বান জানান।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত যৌথভাবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বা হুমকির বিরোধিতা করা। পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার এবং পারমাণবিক যুদ্ধ কোনো মতেই করা যাবে না। ইউরেশিয়ায় পারমাণবিক সংকট রোধেেই আমাদের এটা করতে হবে।
এদিকে, ইউক্রেনের সাথে যুদ্ধে রাসায়নিক, জৈবিক বা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে মস্কো ‘গুরুতর’ পরিণতির সম্মুখীন হবে বলে শুক্রবার সতর্ক করেছে গ্রুপ অব সেভেনের (জি-৭) শিল্পোন্নত দেশগুলো।
পাশাপাশি, ইউরোপের ওপর কৌশলগত বি৬১ পারমাণবিক বোমা ফেলার অনুকরণে অক্টোবরে একটি পরমাণু মহড়া শুরু করে ন্যাটো। কৌশলগুলো একই রকম রাশিয়ান সামরিক মহড়ার সমান্তরালে ঘটেছে। উভয় পক্ষই এই পদক্ষেপকে ‘রুটিন মাফিক কাজ’ হিসাবে বর্ণনা করেছে।
রাশিয়া গত মাসে অভিযোগ করেছে যে, ইউক্রেন বাহিনী ইউক্রেনে একটি ‘নোংরা বোমা’ বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছে। তথাকথিত এ নোংরা বোমা বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক, জৈব ও তেজস্ক্রিয় উপাদান দিয়ে তৈরি।
জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা (আইএইএ) সম্প্রতি বলেছে, ইউক্রেন নোংরা বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে, মস্কোর এমন অভিযোগের পর কিয়েভের অনুরোধে ইউক্রেনের
তিনটি স্থান পরিদর্শন করেছে আইএইএ। সেখানে নোংরা বোমা ব্যবহারের প্রস্তুতির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তার রুশ প্রতিপক্ষ ভ্লাদিমির পুতিন যদি ইউক্রেনে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করেন, তাহলে পৃথিবীতে ‘কেয়ামত’ শুরু হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, সেপ্টেম্বরে পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চলগুলো ন্যাটোর হুমকির মুখে পড়লে তিনি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার বিষয়ে ভাববেন।