প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২২ ১০:৩২ এএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২২ ১০:৫৮ এএম
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দক্ষিণ ইউক্রেনের রুশ অধিকৃত খেরসনের কিছু অংশ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন।
ইউক্রেনীয় বাহিনী কৌশলগত এ বন্দরনগরীর দিকে ক্রমাগত অগ্রসর হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।
এ প্রসঙ্গে পুতিন বলেছেন, বিপজ্জনক এলাকায় বসবাসকারী বেসামরিক লোকদের সরে যাওয়া উচিত। কারণ বেসামরিক নাগরিকদের ভোগান্তি হওয়া উচিত নয়।
অন্তত ৭০ হাজার লোক ইতোমধ্যে খেরসন থেকে সরে গেছে বলে জানা গেছে।
মস্কোর রেড স্কোয়ারে এক দিবসের ছুটির সময় পুতিন বলেছেন, গোলাগুলি ও আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া উচিত।
এদিকে, কিয়েভ রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের জোরপূর্বক বিতাড়িত করার অভিযোগ তুলেছে। তারা বলেছে, এটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো।
ইউক্রেনজুড়ে বেসামরিক অবকাঠামোয় রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে অগণিত প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার কারণে কিয়েভ ঘন ঘন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধে বাধ্য হয়েছে।
পুতিনের মন্তব্যের আগেই ক্রেমলিনের কর্মকর্তা কিরিল স্ট্রেমাসভ রুশ মিডিয়াকে বলেছেন, সম্ভবত মস্কো এ অঞ্চল থেকে তার সেনা প্রত্যাহার করতে পারে।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের কর্মকর্তারা তাদের বাহিনীকে সতর্ক করে বলেছিলেন, এ ঘোষণা তাদের সেনাদের বিপজ্জনক এলাকায় প্রবেশ করানোর একটি ফাঁদ হতে পারে।
২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া তার প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেন আক্রমণ করার পরপরই খেরসনকে কবজা করে। কিন্তু সম্প্রতি ইউক্রেনীয় বাহিনী শহরের উপকণ্ঠের অঞ্চল অবিচ্ছিন্নভাবে পুনরুদ্ধার করেছে।
গত মাসের মাঝামাঝি বেসামরিক নাগরিকদের প্রথমে খেরসন ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কারণ রুশ বাহিনী সেখানে ভয়াবহ যুদ্ধের আশঙ্কা করেছিল।
সামরিক কমান্ডাররা পরে বলেছিলেন, তারা সেখানে প্রত্যাশিত যুদ্ধের আগে শহরের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি অভিযান সম্পন্ন করেছেন।