প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:৫৫ এএম
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১২:৩৫ পিএম
নওয়াজ শরিফ। ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এবার দুটি আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। একটিতে ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন। অন্যটিতেও হারার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পাকিস্তানের বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, নওয়াজ শরিফ খাইবার পাখতুনখাওয়ার এনএ-১৫ মানসেহরা আসনে স্বতন্ত্র শাহজাদা গাস্তাসাপের কাছে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এটি একটি বিরল ঘটনা।
এনএ-১৫ মানসেহরা থেকে পাওয়া অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, নওয়াজ শরিফ এ আসনে ৬৩ হাজার ৫৪ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে শাহজাদা গাস্তাসাপ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৭১৩ ভোট। অর্থাৎ ১১ হাজার ৬৫৯ ভোটে পরাজিত হয়েছেন নওয়াজ।
‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ এ ফলাফলকে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) জন্য বড় বিপর্যয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অবশ্য নওয়াজ শরিফ লাহোরের এনএ-১৩০ আসনেও প্রার্থী। সেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ইয়াসমিন রশিদ।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নওয়াজকে এ আসনে জেতানো হবে। কারণ দেশটির সেনাবাহিনী এবার তাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।
কারচুপির অভিযোগ
পাকিস্তানে বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর প্রথম ফল ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের ১৯ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও ফল আসছে অস্বাভাবিক ধীরগতিতে। এ অবস্থায় ফল নিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে।
প্রাথমিক ঘোষিত ফলে এগিয়ে ছিল ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। ফল ঘোষণায় দেরি হওয়ায় দলটি কারচুপির অভিযোগ এনেছে। নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগকে পরাজয় স্বীকার করে নিতে আহ্বান জানিয়েছে পিটিআই।
তবে যত বেশি আসনের ফল আসছে তত এগিয়ে যাচ্ছে নওয়াজের মুসলিম লীগ।
ফল আসতে কেন দেরি হচ্ছে, তার একটা ব্যাখ্যা দিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। তারা বলছে, মোবাইল সেবা বন্ধ থাকায় ফল আসতে বিলম্ব হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট বিকাল ৫টায় শেষ হয়। এবার দেশটিতে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটার। এর প্রায় অর্ধেকের বয়স ৩৫-এর নিচে।
প্রার্থী ৫ হাজারের বেশি। নারী ৩১৩ জন। ৯০ হাজার ৬৭৫ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে।
২৬৬ আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য পেতে হবে ১৬৯ আসন। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৬০ আসন। জাতিগত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত ১০ আসন।
সূত্র : দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল