প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:২০ এএম
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:৪০ এএম
ভোটগ্রহণের ১৬ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও ফল আসছে অস্বাভাবিক ধীরগতিতে। ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানে বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর প্রথম ফল ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের ১৬ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও ফল আসছে অস্বাভাবিক ধীরগতিতে। এ অবস্থায় ফল নিয়ে কারচুপির অভিযোগ ওঠেছে।
প্রাথমিক ঘোষিত ফলে এগিয়ে ছিল ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। ফল ঘোষণায় দেরি হওয়ায় দলটি কারচুপির অভিযোগ এনেছে। নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগকে পরাজয় স্বীকার করে নিতে আহ্বান জানিয়েছে পিটিআই।
তবে যত বেশি আসনের ফল আসছে তত এগিয়ে যাচ্ছে নওয়াজের মুসলিম লীগ।
ফল আসতে কেন দেরি হচ্ছে, তার একটা ব্যাখ্যা দিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। তারা বলছে, মোবাইল সেবা বন্ধ থাকায় ফল আসতে বিলম্ব হচ্ছে।
ভোটগ্রহণ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানে মোবাইল সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল। নানা মানবাধিকার সংস্থা ও অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এটার সমালোচনা করেছে। এটা নির্বাচনের স্বচ্চতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।
শুক্রবার মোবাইল সেবা চালু হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভোটের দিন মোবাইল সেবা বন্ধ থাকলেও ওয়াইফাই চালু ছিল।
বিবিসি জানায়, নওয়াজের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সম্পর্ক একসময় খারাপ থাকলেও এখন ভালো। তারা নওয়াজকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাচ্ছে।
সেনাবাহিনীর এ চাওয়ার সঙ্গে বিদেশি কোনো শক্তি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক আছে কি না এখনও কেউ সরাসরি বলেনি।
বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট বিকাল ৫টায় শেষ হয়। এবার দেশটিতে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটার। এর প্রায় অর্ধেকের বয়স ৩৫-এর নিচে।
প্রার্থী ৫ হাজারের বেশি। নারী ৩১৩ জন। ৯০ হাজার ৬৭৫ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে।
২৬৬ আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য পেতে হবে ১৬৯ আসন। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৬০ আসন। জাতিগত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত ১০ আসন।
সূত্র : দ্য ডন, বিবিসি