প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১০:৪৩ এএম
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:২২ এএম
একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে পুলিশের পাহারা। ৮ ফেব্রুয়ারি পেশোয়ারের গুলবাহার এলাকায়। ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানে সবচেয়ে ‘কম বিশ্বাসযোগ্য’ জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন উপলক্ষে দেশজুড়ে হাজার হাজার সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তার পরও নিরাপত্তার অজুহাতে সারা দেশে মোবাইল সেবা সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে ওয়াইফাই সেবা এখন পর্যন্ত চালু আছে।
এবার দেশটিতে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটার। এর প্রায় অর্ধেকের বয়স ৩৫-এর নিচে।
প্রার্থী ৫ হাজারের বেশি। নারী ৩১৩ জন। ৯০ হাজার ৬৭৫ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।
ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ব্যাপক সমর্থন থাকলেও নিজেদের প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে দলটির সদস্যরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। তাই এবার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) মধ্যে।
২০২২ সালের এপ্রিলে এক অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর দেশটিতে এটিই প্রথম নির্বাচন।
নির্বাচনের আগের দিন বেলুচিস্তানে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ২৮ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এবারের নির্বাচনকে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম গ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবিসির প্রতিবেদনে।
পিএমএল-এনের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ চতুর্থবার ক্ষমতায় আসতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা
ইতোমধ্যে নওয়াজ শরিফ, পিপিপির বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, শাহবাজ শরিফ ভোট দিয়েছেন। জেল থেকে ভোট দিয়েছেন ইমরান খান। কিন্তু তার স্ত্রী বুশরা বিবি এখনও ভোট দিতে পারেননি। তিনি গৃহবন্দি রয়েছেন।
সূত্র : দ্য ডন, বিবিসি