প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৪:৩৫ পিএম
রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজে ১ ফেব্রুয়ারি রাতে ইউক্রেনের নৌবাহিনী ড্রোন হামলা করেছে। ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেন রাশিয়ার আরেকটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের কাছে কৃষ্ণ সাগরে সামুদ্রিক ড্রোন দিয়ে জাহাজাটি ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের দাবিকে সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রুশ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু বলেননি।
গত ডিসেম্বরেও একটি রুশ যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিলো ইউক্রেন। কিন্তু রাশিয়া তাও স্বীকার করেনি।
জিউইআর নামে পরিচিত ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখানো হয়েছে, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রসজ্জিত ইভানোভেটস জাহাজে ইউক্রেনের নৌবাহিনী ড্রোন দিয়ে হামলা করছে। আড়াই মিনিটের সেই ফুটেজে নাটকীয় সাউন্ডট্রেক ও আনেকগুলো বিস্ফোরণ শব্দ শোনা যায়। এরপর জাহাজটি একদিকে হেলে পড়ে। জাহাজটির ডুবে যাওয়ার দৃশ্য দিয়ে ভিডিওটি শেষ হয়।
জিইউআরের তথ্যমতে, হামলার সময় ইভানোভেটস পশ্চিম ক্রিমিয়ার ডেনুজলাভ হ্রদে টহল দিচ্ছিলো। এ অবস্থায় ইউক্রেনের গ্রুপ ১৩ ইউনিট সেটাতে সামুদ্রিক ড্রোন দিয়ে হামলা চালায়।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার কয়েক মাস পর ২০২২ সালের এপ্রিলে বিখ্যাত রুশ রণতরি মস্কোভায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইউক্রেন। এতে এটি ডুবে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি রাশিয়া।
কিন্তু সম্প্রতি মস্কোভা জাহাজ ডুবে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার দাবি, গোলাবারুদের বিস্ফোরণে আগুন লাগার পরে মস্কোভাকে যখন টেনে বন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো তখন সেটি ডুবে গিয়েছিলো।
এদিকে বৃহস্পতিবার রুশ রণতরি ইভানোভেটসে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নিয়ে কিছু তথ্য দিয়েছে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা আমব্রে। সংস্থাটি জানায়, ইউক্রেন এ হামলায় ৬টির বেশি সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করেছে। প্রত্যেক ড্রোনে ৩০০ কিলোগ্রাম করে বিস্ফোরক ছিল।
২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। সেই ক্রিমিয়াতেই প্রতিনিয়ত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেন। বৃহস্পতিবার রাশিয়া জানিয়েছে, তারা ওই দ্বীপের আশপাশের অঞ্চল থেকে ইউক্রেনের ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা