প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৬:২৪ পিএম
আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:৪৭ পিএম
শান রাজ্যের কায়ুকমি শহরের উদ্বাস্তু মানুষের দৃশ্য। ১২ নভেম্বর তোলা। ছবি : সংগৃহীত
মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্প্রতি হামলা জোরদার করেছে। ২৭ অক্টোবর জান্তা বাহিনী ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অপারেশন-১০২৭ শুরু হওয়ার পর দেশটিতে অন্তত ৬ লাখ ৬০ হাজার বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) এক জরিপ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই জরিপ চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে দেশটির তিনটি জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফলে সাতটি রাজ্য ও পাঁচটি অঞ্চল থেকে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের (আইডিপি) সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের পর দেশটির ক্ষমতায় আসে সশস্ত্র বাহিনী। এর পর সেনাবাহিনীর নিপীড়নমূলক অভিযানে এখন পর্যন্ত ২৬ লাখ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়।
মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর দেশটির সামরিক বাহিনী কমপক্ষে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের অস্ত্র আমদানি করেছে। অধিকাংশ অস্ত্র রাশিয়া ও চীনের পাশাপাশি সিঙ্গাপুরে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে পেয়েছে মিয়ানমারের জান্তা। জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে।
আমদানির মধ্যে ছিল অস্ত্র, সামরিক-বেসামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি ও অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণ। এগুলো ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আমদানি করেছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা। প্রতিবেদনে ১২ হাজার ৫০০টির বেশি স্বতন্ত্র ক্রয় বা রেকর্ড করা চালান চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো সরাসরি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা সেনাবাহিনীর পক্ষে কাজ করা দেশটির অস্ত্র ব্যবসায়ীদের কাছে গেছে।
সূত্র : ইরাবতি