প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ১১:০১ এএম
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ১১:৪৩ এএম
উদ্ধারকাজে দমকল বাহিনীর সদস্যরা। ৫ ডিসেম্বর পশ্চিম সুমাত্রা থেকে তোলা। ছবি : সংগৃহীত
ইন্দোনেশিয়ার মারাপি আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২-এ। মঙ্গলবারের (৫ ডিসেম্বর) আগে তা ছিল ১৩। পশ্চিম সুমাত্রার দমকল বাহিনীর প্রধান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রবিবার (২ ডিসেম্বর) পশ্চিম সুমাত্রায় একটি আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। তখন ওই এলাকায় ৭৫ জন পর্বতারোহী ছিলেন। সোমবারের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ৪৯ পর্বতারোহীকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে জীবিত এবং হতাহত কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০ জন নিখোঁজ ছিল। মঙ্গলবার সকালে তাদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মঙ্গলবার বিকালের মধ্যে ৯টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। আরও একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে। অন্য ১২ আহত পর্বতারোহীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
রবিবার ৯ হাজার ৪৮৫ ফুট উঁচু আগ্নেয়গিরিটি ছাই উদ্গিরণ শুরু করে, যা ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় উঠে যায়। জারি করা হয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা। স্থানীয় বাসিন্দাদের জ্বালামুখের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে যাওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মারাপি সুমাত্রা দ্বীপের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি। এর সবচেয়ে প্রাণঘাতী উদ্গিরণ হয়েছিল ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে, তখন ৬০ জনের মৃত্যু হয়।
চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতেও মারাপিতে উদ্গিরণ হয়েছিল। তখন আগ্নেয়গিরিটি ৭৫ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার মিটার পর্যন্ত আগ্নেয় ছাই ছুড়ে দিয়েছিল।
ইন্দোনেশিয়ায় ১২৭টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আছে। হাজারো দ্বীপ নিয়ে গঠিত দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরের তথাকথিত আগ্নেয় মেখলার রিং অব ফায়ারের ওপর অবস্থিত।
সূত্র : রয়টার্স