প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:১৯ পিএম
আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:৪৪ পিএম
সুড়ঙ্গের প্রবেশমুখে উদ্ধারকারীরা। ছবি : সংগৃহীত
ভারতের উত্তরাখণ্ডের একটি নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ১৩ দিন ধরে আটকে থাকা শ্রমিকদের স্ট্রেচারে শুইয়ে একজন একজন করে বের করা হবে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বাহিনী (এনডিআরএফ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঠিক কখন উদ্ধারকাজ শুরু হবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উদ্ধার অভিযানের মহড়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে এনডিআরএফ। এতে দেখা যায়, ধাতুর একটি স্ট্রেচার সুড়ঙ্গে রশি বেঁধে নামানো হয়। একটি বড় পাইপের ভেতর দিয়ে স্ট্রেচারটি নামানো হয়। এটিতে একজন ধীরে ধীরে শুয়ে পড়েন। তারপর তা আস্তে আস্তে টেনে ওঠানো হয়।
১২ নভেম্বর উত্তরাখণ্ডের সিল্ক্যারা সুড়ঙ্গে কাজ করার সময় ৪১ জন শ্রমিক আটকা পড়েন। তাদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে নানা তৎপরতা চালানো হয়েছে। কিন্তু ওই অঞ্চলের মাটির গঠন, পাথর ও ভূমিধসের কারণে এত দিন কোনো পরিকল্পনা সফল হয়নি। আটকা পড়ার দশম দিনে ২১ নভেম্বর শ্রমিকদের জন্য বোতলে ভরে খিচুড়ি পাঠানো হয়। পাশাপাশি একটি ক্যামেরায় তাদের অবস্থান দেখা সম্ভব হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলা গেছে। তারা সবাই মোটামুটি সুস্থ আছেন।
আটকা পড়ার পর থেকে শ্রমিকদের কাছে ২১ নভেম্বরের আগ পর্যন্ত কেবল শুষ্ক খাবার, পানি ও অক্সিজেন পাঠানো হয়েছে।
তখন উদ্ধার অভিযানের প্রধান কর্নেল দীপক পাতিল সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ৬ ইঞ্চি পাইপে করে একটি এন্ডোসকপি ফ্লেক্সি ক্যামেরা সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে। শ্রমিকদের কাছে এখন মোবাইল ও মোবাইলের চার্জার পাঠানো হবে।
ভারতের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। পাশাপাশি সঙ্গে বিদেশি বিশেষজ্ঞরাও যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার সুড়ঙ্গে আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে পাঁচটি ধাপ তৈরি করেছে। একটি ব্যর্থ হলে আরেকটি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
সর্বসম্মতিক্রমে মূল সুড়ঙ্গের ডান ও বাঁ পাশ দিয়ে আড়াআড়িভাবে আলাদা দুটি সুড়ঙ্গ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মূল সুড়ঙ্গের ওপর থেকে উল্লম্বভাবেও তৃতীয় একটি সুড়ঙ্গ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শ্রমিকরা আটকা পড়েছে প্রায় ৫৮ মিটার গভীরে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মূল সুড়ঙ্গের পাশে ইতোমধ্যে ৪৮ মিটার ড্রিল করা হয়েছে। এটা দিয়ে একটি স্ট্রেচার পাঠানো যাবে। বাকি ১০ মিটারের কাজ শেষ হলে স্ট্রেচার ভেতরে পাঠানো হবে।
সূত্র : এনডিটিভি