প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৩ ১১:২৮ এএম
আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৩ ১১:৩৭ এএম
মধ্য গাজার আল-আকসা মার্টারস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এক আহত কিশোরকে। ১৯ নভেম্বর তোলা। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ১৩ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে শিশু ৫ হাজারের বেশি। নারী অন্তত সাড়ে ৩ হাজার। একই সময়ে আহত হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রবিবার (১৯ নভেম্বর) এসব তথ্য জানিয়েছে। অবরুদ্ধ উপত্যকাটির প্রায় সব হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হতাহতের পরিসংখ্যান ঠিকমতো রাখা সম্ভব হচ্ছে বলে ইতঃপূর্বে জানিয়েছিল মন্ত্রণালয়টি।
গাজায় ইসরায়েলি হামলা সোমবার (২০ নভেম্বর) ৪৫তম দিনে প্রবেশ করেছে। গত শনিবার থেকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজায় স্থল অভিযান উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকেও বিস্তৃত করা শুরু করেছে। তারই অংশ হিসেবে দক্ষিণের জাবালিয়া শরণার্থী শিবির ও একই অঞ্চলের শহর খান ইউনিসে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। উভয় হামলায় অন্তত ১০৬ জন নিহত হয়। এর একটা বড় অংশ শিশু।
৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিতে হামলা চালায় হামাস। এতে ইসরায়েলের ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়। আহত হয় প্রায় ৪ হাজার। হামাস ধরে নিয়ে আসে ২৪০ জনকে।
হামাসের হামলার জবাবে গাজায় বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, গোলা ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ২৮ অক্টোবর শুরু হয় স্থল অভিযান। এর মধ্যে আইডিএফ উত্তর গাজা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে।
গাজার বৃহত্তম হাসপাতাল আশ-শিফায় ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান নিয়ে অভিযান চালিয়ে সেটার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। কিছু মুমূর্ষু রোগী ও চিকিৎসক ছাড়া সেখান থেকে সবাইকে তাড়িয়ে দিয়েছে।
রবিবার ইসরায়েল দাবি করে, তারা আশ-শিফায় হামাসের একটি সুড়ঙ্গের সন্ধান পেয়েছে। ইসরায়েলের এ দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছে হামাস।
অন্যদিকে আশ-শিফায় অন্তত দুজন জিম্মিকে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছে ইসরায়েল। এ দুই জিম্মির একজন নেপালের, দ্বিতীয় জন থাইল্যান্ডের নাগরিক। হাসপাতালটির ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এমন দাবি করেছে ইসরায়েল।
সূত্র : আলজাজিরা, আল-মনিটর