× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাখাইনে তীব্র হামলার মুখে মিয়ানমার সেনাবাহিনী

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:৫৭ পিএম

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:২৬ পিএম

প্রশিক্ষণে আরাকান আর্মির সদস্যরা। ছবি : সংগৃহীত

প্রশিক্ষণে আরাকান আর্মির সদস্যরা। ছবি : সংগৃহীত

রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সেনাদের ওপর সোমবার তীব্র হামলা চালিয়েছে আরাকান আর্মি (এএ)। সশস্ত্র গোষ্ঠীটি কয়েকটি সেনা চৌকি দখল করে নিয়েছে। কয়েকজন সেনা কর্মকর্তাকে আটক করেছে। রাজ্যটির অন্যত্র জান্তার সেনাদের সঙ্গে এএর সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) ভোরে রাখাইন রাজ্যে রাথেদং ও মিনবিয়া এলাকায় এসব ঘটনা ঘটেছে। এএর মুখপাত্র খিন থু খা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে এসব ঘটনা নিয়ে জান্তা এখনও কিছু বলেনি। 

গত ২৭ অক্টোবর মিয়ানমারের শান রাজ্যে কয়েকটি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী একজোট হয়ে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালায়। চীন, লাউস ও থাইল্যান্ডে সীমান্তের ওই রাজ্যটিতে বিদ্রোহীরা জান্তার শতাধিক চৌকি দখল করে নেয়। অনেকগুলো শহরের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করতলে নেয়। ওই সম্মিলিত হামলায় যে কয়টি বিদ্রোহী গোষ্ঠী অংশ নেয়, সেগুলোর মধ্যে এএ অন্যতম। 

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পরপরই জান্তাবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু হয়। গঠিত হয় গণপ্রতিরক্ষা বাহিনী (পিডিএফ)। পিডিএফের নেতৃত্বে রয়েছে দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। অং সান সু চি এই দলের প্রধান। 

মিয়ানমারের রাজ্যে রাজ্যে কয়েক দশক ধরে সশস্ত্র সংগ্রামরত গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মৈত্রী গড়ে তুলেছে পিডিএফ। এখন তারা বিভিন্ন রাজ্যে একজোট হয়ে জান্তার সেনাবাহিনী, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করছে। 

শান রাজ্যে হামলার পর দেশটির জান্তা মনোনীত প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন, ’বিদ্রোহীদের দমন করা না গেলে মিয়ানমার কয়েক টুকরা হয়ে যেতে পারে।’ 

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে রাখাইন রাজ্য তুলনামূলক শান্ত ছিল। এ রাজ্যেই রোহিঙ্গাদের বাস। এএ এখানে বেশ শক্তিশালী। জান্তার পাশাপাশি তারাও রাজ্যটির কিছু অঞ্চলের প্রশাসন পরিচালনা করে। কর সংগ্রহ করে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। 

রাখাইন রাজ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়লে কয়েকটি বিষয় ঘটবে। এক. জান্তা আরও চাপে পড়বে। দুই. রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। কারণ সংঘাতকবলিত অঞ্চলে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে চাইবে না। কিন্তু জান্তা তাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নিতে চাইবে। 

জানা যায়, এএর সঙ্গে রোহিঙ্গা নেতাদের একাংশের সুসম্পর্ক রয়েছে। এএ রোহিঙ্গাদের পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে ফেরত নেওয়ার পক্ষে। তবে এসব কিছু দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তার ওপর নির্ভর করছে। 

সূত্র : রয়টার্স


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা