প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:৩৮ পিএম
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৪:২৯ পিএম
হোয়াইট হাউসের বাহিরে ইসরায়েলের গাজা হামলাবিরোধী বিক্ষোভ। ৪ নভেম্বর তোলা। ছবি : সংগৃহীত
হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার পর যতদিন দরকার গাজা শাসন করতে চায় ইসরায়েল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিরোধী। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি এমনটাই জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জন কিরবি বলেন, আমরা ইসরায়েলকে গাজা পুনর্দখলের বিষয়টি আরও বিবেচনা করতে বলব। প্রেসিডেন্ট (জো বাইডেন) এখনও বিশ্বাস করেন, ইসরায়েলের গাজা পুনর্দখল ভালো হবে না। গাজা পুনর্দখল ইসরায়েল রাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জনগণ কারও জন্যই মঙ্গলজনক হবে না। কিন্তু বিষয়টি কেমন তা ব্যাখ্যা করেননি যুক্তরাষ্ট্রের এ নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সর্বশেষ মধ্যপ্রাচ্য সফর সম্পর্কে জন কিরবি বলেন, ব্লিঙ্কেনের মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল যুদ্ধপরবর্তী গাজা। যুদ্ধের পর গাজা কীভাবে শাসিত হবে তা নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা একটা বিষয়ে একমত, গাজা আর হামাসের হাতে থাকছে না।
সোমবার (৬ নভেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি জানতে চেয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি বলেছেন, গাজা পুনর্দখল করা হবে ইসরায়েলের জন্য বড় ভুল। এ বিষয়ে আপনার মত কী? যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কাদের এই অঞ্চল শাসন করা উচিত?
জবাবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই ইসরায়েল এই অঞ্চল শাসন করতে পারে। সময়সীমার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল অনির্দিষ্টকাল গাজা শাসন করতে পারে। তবে এ সময় তিনি এটারও ইঙ্গিত দেন, যেসব ফিলিস্তিনি হামাসের পথ অনুসরণ করে না, তারা গাজা শাসনে আমাদের শরিক হতে পারে।
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর গাজা, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে ইসরায়েল। ২০০৫ সালে গাজা থেকে ইসরায়েল সম্পূর্ণভাবে নিজেদের দখলদারি প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু পশ্চিত তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে তা এখনও জারি রয়েছে।
সূত্র : আরটি, আলজাজিরা