প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১২:২০ পিএম
আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১২:৩৬ পিএম
গাজার জাবালিয়া শরথার্ণী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলার পরবর্তী দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বৃহস্পতিবার ৯ হাজার ছাড়িয়েছে, যার অর্ধেকের বেশি শিশু ও নারী। এ অবস্থায় গ্লোবাল সাউথ বা তৃতীয় বিশ্ব, লাতিন আমেরিকাসহ বিশ্বের দেশে দেশে গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবি জোরদার হচ্ছে। কিন্তু যে দেশ চাইলেই এ যুদ্ধ বন্ধ করতে পারে সে দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এখনই যুদ্ধ বন্ধ চায় না। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) পেন্টাগনের মুখপাত্র প্যাট রাইডার এ কথা জানিয়েছেন।
প্যাট রাইডার বলেন, আমরা এ মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি সমর্থন করি না। কারণ এ অবস্থায় যুদ্ধবিরতি করলে হামাস পাল্টা হামলা করার জন্য প্রস্তুত হওয়ার সময় পাবে। এতে ইসরায়েলের জনগণ ও অন্যরা আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
তবে বুধবার (১ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রথমবারের জন্য স্থানে স্থানে সাময়িক যুদ্ধ থামানোর কথা বলেছেন।
আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের তৃতীয় দফায় ইসরায়েলে আসার কথা রয়েছে। তার এ সফরের মূল উদ্দেশ্য সাময়িক যুদ্ধ থামানো ও যুদ্ধ অন্য ফ্রন্টে ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো বলে জানা গেছে।
শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টার দিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান গাজায় ইসরায়েলি হামলা নিয়ে প্রথম ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে। তিনি কী ঘোষণা দেন সেদিকে সবাই তাকিয়ে আছে। কারণ তিনি যদি হিজবুল্লাহর চলমান যুদ্ধে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তখন সংঘাত আরও আরও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এদিকে বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনেটর যুদ্ধবিরতির বা যুদ্ধ থামানোর কথা বলেছেন। ইলিনয় রাজ্য থেকে নির্বাচিত এই রাজনীতিবিদের নাম ডিক ডারবিন। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দ্বিতীয় সারির নেতা।
একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটির সদস্য ক্রিস মারফিও (ডি-কন) ইসরায়েলকে নিজেদের যুদ্ধকৌশল বদলানোর আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ ইসরায়েলের বর্তমান যুদ্ধকৌশলের ফলে সাধারণ মানুষেরই বেশি প্রাণহানি হচ্ছে। তবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এই প্রভাবশালী নেতা যুদ্ধ বন্ধের কথা বলেননি।
সূত্র : আল-মনিটর, জেরুজালেম পোস্ট