× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নিয়ে যত কল্পনা

প্রবা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২২ ১৬:৫৬ পিএম

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২২ ১২:৩৯ পিএম

(বাঁ থেকে ডানে) ঋষি সুনাক, বরিস জনসন, পেনি মর্ডান্ট ও  বেন ওয়ালেস। ছবি : সংগৃহীত

(বাঁ থেকে ডানে) ঋষি সুনাক, বরিস জনসন, পেনি মর্ডান্ট ও বেন ওয়ালেস। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর এখন কনজারভেটিভ পার্টির নতুন নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী পেনি মর্ডান্ট।

বিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়, লিজ ট্রাস টোরি নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাককে হারিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। লিজ ট্রাস সরকারি ব্যয় হ্রাস না করে ট্যাক্স হ্রাস ও প্রবিধান (রেগুলেশন) সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৬ সেপ্টেম্বর দলীয় এমপিদের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

দেড় মাস আগে সুনাক সতর্ক করে দিয়েছিলেন, অতিরিক্ত ঋণের মাধ্যমে প্রস্তাবগুলোতে অর্থায়ন করার জন্য তার পরিকল্পনা বেপরোয়া এবং কয়েক দশকের উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে বাজারের আস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

এখন যেহেতু সুনাকের বক্তব্য সঠিক প্রমাণিত হয়েছে, ট্রাসের নাটকীয় ঘোষণার পর সুনাক এখন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাছাইয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

দলের আইনপ্রণেতারা ট্রাসকে প্রধানমন্ত্রী করার আগে তিনি কয়েক দফার ভোটে সর্বাধিকসংখ্যক টোরি আইনপ্রণেতার সমর্থন অর্জন করেছিলেন।

মঙ্গলবারের (১৮ অক্টোবর) একটি নতুন ইউগভ জরিপে দেখা গেছে, তিনি ট্রাসের বিকল্পগুলোর মধ্যে সেরা রেটিং পেয়েছেন, যদিও এখনও সামগ্রিক অনুকূল সমর্থনে তার অবস্থান রেটিং ১৮-তে। 

পার্টির অনেক সদস্য, যারা সাধারণত বলে থাকেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকার জন্য তাকে ক্ষমা করতে তারা রাজি নন।

কয়েক মাস বিতর্কের পর জনসনের দুর্বল সরকার থেকে সুনাক এবং অন্যদের পদত্যাগের কারণে জনসন গত মাসের শুরুর দিকে তার মন্ত্রিসভা এবং টোরি এমপিদের মধ্যে বিদ্রোহের পর প্রধানমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করেন।

জনসনকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা করবেন; যদিও খুব কমই ভেবেছিলেন এত দ্রুত সম্ভব হতে পারে। ট্রাসের পদত্যাগের পর টাইমস রিপোর্ট করেছে, তিনি ভোটের মাধ্যমে হওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

জনসন ব্রেক্সিটের জন্য কনজারভেটিভ এমপি এবং দলের একটি অংশের কাছে জনপ্রিয়। কিন্তু বৃহত্তর ভোটারদের মধ্যে তার ব্র্যান্ডটি কলঙ্কিত হওয়ায় তিন বছরের মেয়াদে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

একটি সাম্প্রতিক ইউগভ জরিপ দেখিয়েছে যে, জনসন লিজ ট্রাসের চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়। তবু জিজ্ঞাসা করা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ তার সম্পর্কে একটি প্রতিকূল মত দিয়েছিল।

বেন ওয়ালেস প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তবে সাম্প্রতিক কনজারভেটিভ পার্টির সম্মেলনে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে ভোটে দাঁড়ানোর কথা বিবেচনা করবেন কি না, বেন ওয়ালেস বলেছিলেন, ‘আমি এটিকে অস্বীকার করি না।’

সেনাবাহিনীর সাবেক ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ওয়ালেস একটি টহলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যেটি একটি বোমা হামলা চালানোর চেষ্টাকারী আইআরএ ইউনিটকে আটক করেছিল। প্যারিসে গাড়ি দুর্ঘটনার পর প্রিন্সেস ডায়ানার মরদেহ দেশে নিয়ে আসার সময় তিনিও অংশ নিয়েছিলেন।

এর আগে টোরি নেতা নির্বাচনে ঋষি সুনাক ছিলেন লিজ ট্রাসের প্রতিদ্বন্দ্বী। তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য পেনি মর্ডান্ট পঞ্চম দফা ভোটেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েছিলেন। আর বেন ওয়ালেস গতবারের টোরি নেতা নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।

প্রবা/টিএ/জেও

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা