প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৩ ১৫:০৮ পিএম
আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৩ ১৬:০১ পিএম
সীমান্ত প্রাচীর ভেঙে গাজায় ঢুকছে ইসরায়েলের ট্যাংক। ২৬ অক্টোবর ভোর রাতে। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েল বৃহস্পতিবার ভোরে গাজায় তুলনামূলক বড় ধরনের স্থল অভিযান পরিচালনা করেছে। ১৯ দিন আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বৃহস্পতিবারের অভিযানেই প্রথমবারের মতো গাজায় ইসরায়েলি ট্যাংক প্রবেশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, গত রাতে গাজা উপত্যকার উত্তরে ট্যাংক ব্যবহার করে একটি স্থল অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে হামাসের অনেক অবকাঠামো, তাদের গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ছাউনি ধ্বংস করা হয়েছে। পূর্ণ মাত্রায় স্থল অভিযান শুরুর অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছে গিবতী পদাতিক ব্রিগেড। ট্যাংকের পাশাপাশি ইসরায়েলের পদাতিক সেনারাও গাজায় প্রবেশ করেছে। অভিযান শেষ করে তারা আবার ইসরায়েলে ফিরে গেছে।
৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর গাজার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিয়মিত ছোট ছোট স্থল অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। কিন্তু বুধবারের আগ পর্যন্ত গাজায় কোনো ইসরায়েলি ট্যাংক প্রবেশ করেনি।
বৃহস্পতিবারের এই অভিযানের আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, গাজায় স্থলে অভিযানের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছে যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা। যে কোনো মুহূর্তে পূর্ণ অভিযান শুরু হবে। তবে কখন কীভাবে হবে তা আমরা এখনই প্রকাশ করব না।
শোনা যাচ্ছে, ইসরায়েলের অভিযানের প্রস্তুতি এক ধরনের শেষ। কিন্তু ইসরায়েলের প্রস্তুতিতে ঘাটতি আছে বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। তা ছাড়া হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের সবাইকেও জীবিত উদ্ধার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য নেতানিয়াহুকে গাজায় স্থল অভিযান বিলম্বিত করতে অনুরোধ করছে দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ফ্রান্সসহ অন্য ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো গাজায় ইসরায়েলের পূর্ণ মাত্রায় স্থল অভিযানের বিরোধী। কারণ এতে করে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রসহ ইসরায়েলের পশ্চিমা মিত্ররা হামাসকে যেকোনোভাবে নিশ্চিহ্ন করতে চায়। এ জন্য ইসরায়েল যাই করুক তারা তা নীরবে সহ্য করবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি সহায়তাও অব্যাহত থাকবে।
সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল, আলজাজিরা